ফটিকছড়ি সংবাদদাতা : যে সময়টায় ছুটোছুটি আর বিদ্যালয়ে থাকার কথা, সে সময়টিতে সে অলস বিছানায়। তার শরীরে ক্লান্তি এবং দুর্বলতা। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মো. আজিজুল হক জিহাদ (১৭) নামের এক শিক্ষার্থীর কিডনি বিকল হয়ে শুয়ে আছে বিছানায়।
অন্য তরুণদের মতো সেও বিদ্যালয়ে যেতে চায়। মা-বাবার আদর পেয়ে বড় হয়ে পৃথিবীতে থাকতে চায়। তাকে সুস্থ করে তোলার আপ্রাণ চেষ্টায় নিজেদের সবটুকু উজার করে দিয়েছেন মা-বাবা।
আমিও আপনাদের সাথে বাঁচতে চাই। পৃথিবীর আলো-বাতাস দেখতে চাই। মানুষের জন্য বড় হয়ে কাজ করতে চাই। আমি একটু নিয়মিত চিকিৎসা ও মেডিসিন পেলেই সম্পুর্ণ সুস্থ হয়ে বাঁচতে পারবো।
রাঙ্গামাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘জিহাদ খুবই ভালো ও মেধাবী। নিয়তির কি নির্মমতা টগবগে ছেলেটি অর্থের কাছে হার মেনে চরমভাবে চিকিৎসায় ধুকছে। দেশের কোটি মানুষ যদি একটি করে টাকা দিয়েও তার প্রতি সদয় হয় তাহলে বাঁচবে এই মেধাবী। আমরা কি পারিনা তার প্রতি সদয় হতে?
বিষয়টি অনেকে স্বাভাবিকভাবে নিলেও মা লিলু আকতার (৪৫) হাল ছাড়ছেন না। তিনি যে জিহাদকে পৃথিবীতে এনেছেন, সেই পৃথিবী থেকে নিজের আগে বিদায় দিতে চান না। একথা ভাবতেই পারছেন না গর্ভধারিনী। তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, ‘জীবন যুদ্ধে হার না মানা এক মা আমি। সর্বস্ব দিয়েও সন্তানকে রেখে মরতে চাই। সন্তানের জন্য আমার রিক্ত এই দুই হাত সবার তরেই।’ জিহাদকে সহযোগিতা পাঠাবেন বিকাশ/ নগদ; ০১৮২৪২৯৬৪৩৭ (মা)।