টাঙ্গাইলের সখিপুরের প্রতিমা বংকী গ্রামের ভূমি দস্যু আমির আলী, পিতা কালু মিয়া এবং একই গ্রামের মৃত মীর খোরশেদের পুত্র মীর সিরাজের দালালীতে প্রতিমা বংকী মৌজার ৩৮নং দাগের আনুমানিক ১একর ভূমির গজারী বাগানে কলা বাগান করার ইচ্ছা প্রকাশে প্রতিমা বংকীর ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা আদান প্রদান করে।এরপর প্রতিমা বংকীর মৃত খোরশেদের পুত্র মীর সিরাজ কৈয়ামধু বিট কর্মকর্তা মাহবুবের কাছ থেকে নাম মাত্র মুল্যে গজারী বাগান বাগিয়ে নিয়ে কর্তন করার পর জবর দখল কারী সেই ভূমিতে কলা বাগান করে। গত ইংরেজি ২৩/০৬/২০২৫ তারিখে একই মৌজার ৪৪৪ ও ৪৪৭ নং দাগের গজারী গাছ নাম মাত্র মু্ল্েয ক্রয় করে তার বাহমভুক্ত লোকেরা রাতে গজারী কাটার সময় বহেড়াতৈল রেন্জ কর্মকর্তা এমরান সাহেব ঘটনাস্থলে গিয়ে আংশিক গাছ আটক করে নিয়ে যান। কিছুক্ষন পরেই কাটা শুরু করে পরেদিন গজারী কেটে বা পাচারের সময় বনবিট ও রেঞ্জার বাধা দেন নাই। এই রহস্যজনক ঘটনা জানতে বুঝতে বিট কর্মকর্তা ও রেঞ্জারকে মুঠোফোনে কল দিলে কল রিসিভ না করায় ব্যর্থ হয়ে ৩/৪ দিন পরে আন্দি বিটে রেঞ্জার সাহেবের মতামত ও ডিএফও স্যারের ফোন নং চেয়ে সাংবাদিক অনেক জেরার সন্মুখে পড়েন। তিনি বিট কর্মকর্তাকে দিয়ে কিছু শুনাতে ফোন কল মিলিয়ে দেন বিট অফিসারকে ৩৮,৪৪৪,৪৪৭ দাগে রাত্রে গাছ কাটায় বাঁধা না দেওয়া, ও অতর্কিত বনভূমি জবর দখলে বাধা না দেওয়া এবং প্রকাশ্য গাছ কাটা চোর সিরাজকে গ্রেফতারের চেষ্টা না করা, মামলা না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বিট কর্মকর্তা তুই তুকারী করে সাংবাদিককে বলে তুই বন দেখার কে? তৎসঙ্গে অশালীন ভাষা ব্যবহার করে। তোকে আমার বিট এরিয়ায় পেলে গাছের সাথে বেঁধে পিটাইয়া হাড় ভেঙ্গে চোর বলে চালান দিবো। আরও অনেক অকথ্য কথা বলতে থাকলে ফোন রেঞ্জারের হাতে ফিরিয়ে দেই। তখনও সাংবাদিককে অশ্লীল কথা বলতেছিলো। রেঞ্জার বলছিলেন কারে কি বলেন এরপর রেঞ্জার তিরস্কারের হাসিতে হেসে বলেন মামলা দিয়েছি বলে প্রতিবেদন প্রকাশে বাধা সৃষ্টির মাধ্যমে গজারীবন নিধন, বনের দখল বিক্রির বিষয় প্রকাশ্যে আসলেই ঘটনা ধামাচাপা দিতে মামলা দেওয়ার কথা বলে থাকেন। আবার আত্বরক্ষার্থে উভয় পক্ষ আলোচনা সাপেক্ষে মামলা দেওয়া মামলা খাওয়ার নাটক করে উভয় পক্ষ সুবিধা ভোগের সুযোগ থাকায় বন চুরির ৩০টি মামলার আসামী হওয়ার পরেও সিরাজের লজ্জা অনুশোচনা নেই। মীর সিরাজ বংকী চৌরাস্তায় সাংবাদিক জেহায়েদুল ইসলামকে যেতে বলে, না গেলে তাকে যেখানে পাবে সেখান থেকেই ধরে নিয়ে তার ও বিট অফিসারের বিরদ্ধে সমালোচনার জাল মিটাবে বলে হুমকি প্রদান করে। তিনি আরো বলেন, ডিএফও এবং এসিএফ সাহেবের মতামত জানতে মুঠোফোনে কল রিসিভ না করায় গত ইং ১০/০৭/ ২০২৫ তারিখে রোজ বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাতে বন বিভাগে বেপরোয়া দুর্নীতির বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে মৌখিক আবেদন জানিয়েছি। ডিসি মহোদয় সদয় হয়ে বন বিষয়ের প্রতিবেদন চেয়ে নির্দেশসহ স্ব-স্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানোর নির্দেশ দেন।এরপর গত ২৩/০৭/২০২৫ তারিখে সখিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আব্দুল্লাহ আল রনি সাহেবের কাছে ব্যবস্থা চেয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। প্রতিমাবংকী মৌজার ৩৮/৪৪৪/৪৪৭ দাগের গাছ চুরি ও ভূমি দখলে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে সিরাজ।
এছাড়াও সখিপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের খঃ খলীকুজ্জমান এর বাগান কেটে চুরি করে গাছ নিয়ে যায়।