হিন্দু সমাজে বর্ণপ্রথা সহ নানাবিধ কারণে মুসলমানদের ভাবতেন অশুচি ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যার পর মুসলিম বিদ্বেষী চিরন্তন মনোভাব ও ব্রিটিশ সম্রাজ্য সমুন্নত রাখার স্বার্থে শাসন প্রক্রিয়ায় বিভাজন নীতি শক্ত হয়। হাজার বছর ধরে বসবাসরত প্রতিবেশী দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে তুলে দেওয়া হয় বিভাজনের সুউচ্চ পাহাড় ফলশ্রুতিতে তৃষ্ণার্ত পথিক পানি খেতে চাইলে বাসন অপবিত্র হওয়ার ভয়ে তা দেওয়া হতো না। এই পার্থক্য কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে মুসলিম লীগের দ্বিজাতি তত্ত্ব। উপমহাদেশে মুসলমানরা ভাবতে শিখেন, একদিন ইংরেজরা হিন্দুস্থান ছেড়ে যেতে বাধ্য হবে কিন্তু ক্ষমতা যদি সবই চলে যায় হিন্দু সমাজের হাতে, তবে কি দাঁড়াবে মুসলমানদের ভাগ্যে! সর্বত্র অনুভূত হয় এক সাধারণ নিরাপত্তা বোধের, অভাব -অস্তিত্ব, বিলুপ্তির ভীতি। এই ভীতি বর্তমান বাংলাদেশে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর পূর্বপুরুষদের পাকিস্তান আন্দোলনে একত্রিত করেছিল। ধর্ম নয়, বাঁচার জৈব প্রেরণাই তাদের উদ্বুদ্ধ করেছিল পৃথক স্বতন্ত্র আবাসভূমি গঠনে স্বেচ্ছায় এসে দলে দলে শরিক হয়েছিলেন নিজেদের ভবিষ্যৎ রক্ষায়। একশত নব্বই বছর অনুন্নত, বিবস্ত্র মুসলমানদের বন্ধ থাকা ভাগ্যের কপাটি ১৯৪৭ সালে খুলে গিয়েছিল। গতকাল জুলাই সনদে ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তি ও মানচিত্র অর্জন অন্তর্ভূক্তি করণের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বিকাল ৩ টায় দলের ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক অধ্যক্ষ জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে ও মাওলানা আরিফুর রহমান এর সঞ্চালনায় মুসলিম লীগ আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আজিজ হাওলাদার, স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব আতিকুল ইসলাম, আনোয়ার হোসাইন আবুড়ী, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এড: আফতাব হোসেন মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক খান আসাদ, খন্দকার জিল্লুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ আলী, জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, নাসিমুল হাকিম লাবু, আব্দুল আলিম প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।