নালিতাবাড়ি (শেরপুর) সংবাদদাতা : শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার ১০নং যোগানিয়া ইউনিয়নের গেড়ামারা বড়বিল ও সাপনই বিলে নৌকায় জমজমাট ভাবে চলছে জুয়ার আসর। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে বিলের গভীরে নৌকায় চড়ে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের একাধিক গ্রামে গোপনে বিভিন্ন চা-স্টল ও ঝোঁপঝাড়ে পরিতক্ত্য গোয়াল ঘরে তাস ও গুটির বা করের মাধ্যমে অবাধে চলছে জুয়া খেলা। শুধু তাইনয়, সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারও রান্না হচ্ছে নৌকাতেই। দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে জুয়ার আসর। বর্ষা মৌসুমে উপজেলার অধিকাংশ কৃষক-শ্রমিকের হাতে কাজ না থাকায় সুযোগে জুয়াড়ির খপ্পরে পড়ে অনেকেই জুয়া খেলে সময় পার করছেন। জুয়া খেলার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে কিশোর থেকে শুরু করে মধ্যবয়সীরা। ধারদেনা করে জুয়া খেলতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে সাধারন মানুষ। অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার নিম্নাঞ্চলের অধ্যষিত মরিচপুরান, যোগানিয়া, বাথুয়ারকান্দা, বাইটকামারী, তালুকপাড়া, কাপাশিয়া, উজানগাংপাড়, ভাটিগাংপাড় ও পার্শ্ববর্তী নকলা উপজেলার ধনাকুশা, ছত্রকোনা, কুড়েকান্দা, উরফাবেনিরগুপ, বারোমাইশা ও গোনাপাড়া, জালালপুরের চিহ্নিত জুয়াড়িরা সকাল হলেই মটর সাইকেল বা অন্য যানবাহনে চড়ে গেড়ামারা নিম্নাঞ্চলের চিহ্নিত জুয়াড়িদের সঙ্গে একত্র হচ্ছেন। এতে সমপৃক্ত হচ্ছেন এলাকার কিশোর থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধারা। যেখানে জুয়াড়িরা খেলতে বসছে সে এলাকায় রয়েছে তাদের সোর্স। কোনো অপরিচিত লোক দেখলেই পুলিশ ভেবে মুহূর্তেই জুয়াড়িদের মোবাইলে খবর দেয়া হচ্ছে। বিনিময়ে পারিশ্রমিক হিসেবে সোর্সদের দেয়া হচ্ছে টাকা। অপরদিকে নকলার মোকামিয়া, তাঁরাকান্দা বাজার ও উরফা ইউনিয়নের বিরনেরঘাট এলাকা থেকে যারা জুয়া খেলবে তাদেরকে নৌকা ভাড়া করে নিয়ে আসে নালিতাবাড়ি উপজেলার সাপনই ও বড়বিলের গভীরে। নৌকার মধ্যে অবাধে চলছে তাস ও করের মাধ্যমে জুয়া খেলা। যারা হেরে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন।