সখিপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা : টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার সখিপুর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার জ্বলে যাওয়ায় প্রায় দু’ সপ্তাহ যাবৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত হাজীর মোড়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত দু’ সপ্তাহ পূর্বে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড হাজীর মোড়, টাঙ্গাইলা চালা ও চৌরাস্তার পশ্চিম এলাকায় ট্রান্সফর্মার জ্বলে যায়। এতে করে এলাকায় অন্ধকার নেমে আসে।
গ্রামের অসহায় দরিদ্র মানুষ ও গবাদী পশু চরম কষ্টে পড়ে। পানীয় জলের অভাবে মানুষসহ সকল গৃহপালিত প্রাণী চরম কষ্টে দিনাতিপাত করতে থাকে। এ দুরবস্থা থেকে বাঁচতে এলাকার হতদরিদ্র লোকেরা টাকা উঠিয়ে শফিকুল ইসলাম বাঘা নামক জনৈক ব্যক্তির হাতে ২০ বিশ হাজার টাকা প্রদান করে। উক্ত বাঘা একটি পূরাতন ট্রান্সফর্মারের ব্যবস্থা করে লাগিয়ে দেয়। কিন্তু মাত্র ৫ দিনের মাথায় উহা আবার জ্বলে যায়।
গ্রামবাসী আবার অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। উক্ত বাঘা ভুক্তভোগী নুর মোহাম্মদ নামক জনৈক ব্যক্তির মাধ্যমে আবারো ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করতে বলে। নিরুপায় হয়ে এলাকাবাসী আবারো ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহে উঠে পড়ে লেগে যায় এমনকি ৩০ হাজার টাকা তার নিকট জমা দিয়ে দেয়। এ ব্যাপারে বাঘা কে মুঠোফোনের মাধ্যমে টাকা ফেরতের জন্য তাগিদ দেয়া হলে সে বলে বিদ্যুৎ অফিসের রাসেল নামক জনৈক কর্মকর্তার নিকট উক্ত টাকা জমা দেয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ কর্মকর্তা রাসেলকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি টাকা গ্রহণের কথা অস্বীকার করে। তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন, আগামীকালের মধ্যে আমরা ট্রান্সফর্মারের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। আজ (সোমবার ২৮ জুলাই) এ প্রতিবেদন লেখার পূর্বেও উক্ত রাসেল কে জিজ্ঞাস করা হলে তিনি বলেন, আজ রাতের মধ্যেই ট্রান্সফর্মার আসবে। এলাকাবাসী দৈনিক সংগ্রামে অভিযোগ করে বলেন, “আমাদের নিকট থেকে বারবার টাকা নিয়ে পূরতান ট্রান্সফর্মার দিয়ে আমাদেরকে প্রতারিত করছে বিদ্যুৎ অফিস।”
ভূক্তভোগী হাজীর মোড় এলাকার শমশের আলী, নুর মোহাম্মদ সহ একাধিক ব্যক্তি জানান, আমরা আল্ আমিন নামক জনৈক ব্যক্তির নিকট টাকা জমা দেই। তিনি নাকি অফিসের বড় স্যার। বারবার টাকা জমা দিয়েও আমরা বিদ্যুৎ পাই না। ট্রান্সফর্মার জ্বলে গেলে সেটা আসতে নাকি একমাস লাগে।আমাদের দুর্দশা দেখার কেউ নেই।