সলঙ্গা (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই সিরাজগঞ্জের-৩ আসনের প্রত্যেক শহর বন্দর গ্রাম-গঞ্জের পাড়া মহোল্লায়, এমনকি প্রত্যেক চয়ের দোকানগুলোতে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সব দল তো দেখলাম। ক্ষমতায় গিয়ে নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত থাকে। আমাদের মতো গরীব মানুুষের দিকে নজর দেয় না। নিজেরা দুর্নীতি করে টাকা কামায় আর দেশ বিদেশে সম্পদ গড়ে। এবার ঠিক করছি আগামী নির্বাচনে ভোট টা দাঁড়িপাল্লাতে দিবো। একবারে ভোট দিয়ে দেখি তারা কি করে। কথাগুলো বললেন, রায়গঞ্জ উপজেলার ৩নং ধুবিল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের চায়ের দোকানদার আব্দুল আজিজের চায়ের দোকানে চা খেতে আসা আমশড়া মার্কাজ জামে মসজিদের মোয়াজ্জেম হাজী আনোয়ার হোসেন।
গতকাল সোমবার সাড়ে বারটার সময় চায়ের দোকানদার আব্দুল আজিজকে প্রশ্ন করলে আপনার ভোট কথায় দিবেন আপনার দৃষ্টিতে কোন দল সিরাজগঞ্জ ৬৪-৩ রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা আসনে এগিয়ে আছে জানতে চাইলে।
তিনি এই প্রতিনিধিকে জানান, বর্তমানে এই আসনে জাতীয়তা বাদী বিএনপিকে মাঠে দেখা না গেলেও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীরা মাঠে ময়দানে শহর বন্দরের অলি- গলিতে প্রচার - প্রচারণায় এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছে বলে জানিয়েছে তারা। তারা এই প্রতিনিধিকে আরো বলেন,আমরা দেখেছি বাংলাদেশ জামায়াতকে দেশ থেকে মুছে ফেলতে চেয়ে চাইছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু পারে নাই। বরংচো তারাই ভোল্ট আউট হয়ে গিয়েছে। মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল কুদ্দসের কাছে এবারের ভোট কাকে দিবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, দলমতনির্বিশেষে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোনোনীত সিরাজগঞ্জ ৬৪-৩ রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আমাদের গ্রামের সন্তান, আমাদের অহংকার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য অধ্যাপক শায়েখ ড. আলহাজ্ব মাওলানা মোহাম্মাদ আব্দুস সামাদ সাহেবকে আমরা ভোট দিবো। কেন দিবেন জানতে চাইলে তিনি আরো এই প্রতিনিধিকে আরো জানান, এই কারণে ভোট দিবো অনেকেই আমাদের ভোট নিয়ে ক্ষমতায় গেছে কিন্তু আমাদের জন্য কিছু করেনি। তারা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ঘুষ ও দুর্নীতি করে শুধু তারা নিজেরাই নিজেদের ভাঙ্গয়ের পরির্বতন করেছে। এখন সবাই পরিবর্তন চায়। এবার আমি আমার আতœীয় স্বজনসহ সবার কাছে ভোট চাইতে শুরু করে দিয়েছি। দেখি বাংলাদেশ জামায়াতে আমাদের জন্য কি করে।
তিনি আরো বলেন, জামায়ােেতর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে ১৯ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ারওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের জাতীয় সমাবেশে জনসুমদ্র এতো মানুুষের ঢল হয় আগে জানতাম না। আওয়ামীলীগ, জাতীয়পার্টিসহ বিএনপির বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দুইজন মন্ত্রী ছিল তাদের বিরুদ্ধে কেহ কোনদিন একটিও দুর্নীতি প্রমাণ করতে পারে না। তাই দলটি এবার দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ঘুষ ও দুর্নীতি বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছে। তাই এবার আমি ঠিক করেছি এবার আমার ভোটা ইসলামপন্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লাতেই দেব, কারণ আমার মরতে হবে। মরার পরে যেন মহান আল্লাহর কাছে বলতে পারি আমি তোমার ইসলামপন্থী দলের সাথে ছিলাম।