দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) সংবাদদাতা : সুমাইয়ার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। হত্যা করা হয়েছে। বিয়ের পর থেকেই তার উপর নির্যাতন করে আসছিল স্বামী, শ্বশুর ও বাড়ির লোকজনেরা। এর সুষ্ঠু বিচার চাই। ঘটনার সাথে জড়িতদের পুলিশ থানায় নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার করছে না। গতকাল মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ-ইসলামপুর মহাসড়কের মোশারফগঞ্জে নিহত সুমাইয়ার পরিবারবর্গ, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন।

নিহত সুমাইয়া ইসলামপুর উপজেলার মোশারফগঞ্জ তেঘুরিয়া গ্রামের মৃত শহিদের মেয়ে। প্রায় আট মাস আগে পার্শ্ববতী দেওয়ানগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বীর উৎমারচর গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে সুমনের (২২) সাথে বিয়ে হয়েছিল।

মানববন্ধনে নিহত সুমাইয়ার মা নিলুফা বেগম, স্বজন উজ্জ্বল, জাকির হোসেন, শওকতসহ এলাকাবাসীর ভাষ্য, চলতি মাসের ১১সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) শ্বশুরবাড়িতে সুমাইয়ার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার দিন দেওয়ানগঞ্জ থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুমাইয়ার স্বামী সুমন, শ্বশুর সোনাজ উদ্দিন ও শ্বাশুড়ি খালেদাকে আটক করে থানায় নিলেও তিন দিন পর ছেড়ে দিয়েছে। এতে তীব্র নিন্দা জানায়। মানববন্ধনের বিক্ষুব্ধ জনতা দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ’কে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, উক্ত সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করা না হলে দেওয়ানগঞ্জ থানা ঘেরাও করা হবে।

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হাসান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুমাইয়ার স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুড়ীকে থানায় নেয়া হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এবং রিপোর্ট অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হবে।