আমিনুল ইসলাম হিরো : আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ছোট বড় বিভিন্ন খামারে বিপুল সংখ্যক গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। এবছর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ২,৩৭০টি খামারে মোট ৮১,৬৬২ হাজার পশু কুরবানির জন্য প্রস্তত রয়েছে।
গত বছরের কুরবানির ঈদের পর থেকেই গরু-ছাগল লালন পালন শুরু করেছেন এলাকার খামারিরা। এছারা প্রান্তিক কৃষক কৃষাণীরা লাভের আশায় গরু-ছাগল লালন পালন করে থাকেন। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগ গরু - ছাগল মোটা তাজা করতে খামারিদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা করে আসছেন।
রায়গঞ্জ উপজেলায় ২,৩৭০টি খামারে গরু ২০,৪৩৫, মহিষ ৮১২ ছাগল-ভেড়া ৬০,৩৮৫ হাজারসহ মোট ৮১,৬৬২ হাজার পশু প্রস্তুত রয়েছে। এবছর উপজেলায় মোট ১৭,৫৭০ হাজার পশুর চাহিদা থাকলেও অতিরিক্ত ৬৪,০৯২ হাজার পশু পালন করা হয়েছে বলে প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এসব পশু বেচাকেনা শুরু করেছে। এসব পশু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ শুরু হয়েছে।
স্থানীয় খামারিদের মাঝে লাহোর গ্রামের আবু বক্কার সিদ্দিক জানান, এবছর মূল্য বৃদ্ধি থাকায় এবার গরু পালনে খামারিদের বেশ হিমশিম খেতে হয়েছে। হাট-বাজারে গরু-ছাগলের দাম ভালো থাকলে তবেই লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা: আমির হামজা জানান, এবছর উপজেলায় ১৭,৫৭০ হাজার পশু কোরবানির চাহিদা থাকলেও প্রায় ৮১,৬৬২ হাজার পশু প্রস্তুত রয়েছে। যা উপজেলার চাহিদা পুরন করে বাকি পশু রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন হাট বাজারে এবং অনলাইনের মাধ্যমে পশু বিক্রি করাহবে। এবছর গো খাদ্যের সংকট নেই তবে খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি থাকলেও আশা করা হচ্ছে এবার খামারিরা ভালো দাম পাবে এবং লাভবান হবে।