সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে (ঢাকা-বগুড়া) মহাসড়কের ভূইয়াগাঁতী পল্লী বিদুৎ অফিসের সামনে রোড ডিভাইডার ও পার্শ্ববর্তী রাস্তা খুলে দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
পল্লী বিদুৎ অফিসের সামনে দুই ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন করেন তারা। এতে মহাসড়কের উভয় পার্শ্বে প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এই যানজট নিরসনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন কবির তৎক্ষণাৎ ঘটনা স্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।
মানববন্ধনে অংশ নেয়া এলাকাবাসী জানান, ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ভূইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ডে ফোরলেন রাস্তার পল্লী বিদুৎ অফিসের সামনে পার্শ্ববর্তী রাস্তাটি অজ্ঞাত কারণে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পার্শ্ববর্তী এই রাস্তা বন্ধ থাকা ও রোড ডিভাইডার না থাকার কারণে গত তিন মাসে ৭ জন মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।
বক্তারা আরও জানান, ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ভূইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ড দিয়ে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষের প্রতিদিনের চলাচলের প্রধান মাধ্যম। অথচ অজ্ঞাত কারণে পল্লী বিদুৎ অফিসের সামনের পাশ্ববর্তী রাস্তা বন্ধ ও রোড ডিভাইডার না থাকার কারণে জনভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে। জনস্বার্থে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়ে অবিলম্বে পার্শ্ববর্তী রাস্তা খুলে দেয়া ও রোড ডিভাইডার স্থাপনের দাবি জানান তারা। দাবি আদায়ে প্রশাসন দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে বৃহত্তর আন্দোলনের কথাও জানান তারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: হুমায়ুন কবির বলেন, আপনাদের দাবি যোক্তিক। কারণ এই দাবিগুলো আপনাদের মনের চাওয়া। আমরা চাইনা এখানে আর কোনো সড়ক দুর্ঘটনা হোক। আপনারা দাবি করেছেন এখানে একটি ডিভাইডার এবং সিএনজি, অটোসহ ছোট ছোট গাড়ি চলাচলের আলাদা রাস্তা দাবি করেছেন। সরকার সবসময় মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমি রায়গঞ্জে আসার পর থেকে চান্দাইকোনা ও ষোলো মাইলে জনদুর্ভোগ নিয়ে কাজ করেছি।
আপনারা আমাকে একটি স্মারকলিপি দেন আমি এই বিষয়টি সড়ক বিভাগের সাথে কথা বলে সমাধান করে দিবো।
মানববন্ধনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষক, নারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসী একটি লিখিত স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন।