আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা : বরগুনার আমতলীতে বিদ্যালয়ে গোয়াল ঘর তৈরি করে গরু লালন পালন করার অভিযোগ স্থানীয় প্রভাবশালী শাহ আলম হাওলাদার ও ফোরকান হাওলাদারের বিরুদ্ধে। বর্জ্য চারিদিকে ছড়িয়ে পরায় রোগ ব্যাধি ছড়াচ্ছে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যহত হচ্ছে।

জানাগেছে, আমতলী উপজেলার পশ্চিম সোনাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় দের শতাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করেছে। গত তিন মাস ধরে ওই বিদ্যালয় ভবনের নীচতলায় গোয়াল ঘর তৈরি করে স্থানীয় প্রভাবশালী শাহ আলম হাওলাদার ৫ টি গরু ও ফোরকান হাওলাদার ৩ টি মহিষ লালন পালন করছেন। এতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ চরম আকারে দুষিত হচ্ছে। বর্জ্য চারিদিকে ছড়িয়ে পরায় পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পরেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। পঁচা দুর্গন্ধে শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত এবং ক্লাসে পাঠদান ব্যহত হচ্ছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের নিষেধ করা সত্তেও তারা তা মানছেন না এমন অভিযোগ প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তারের। দ্রুত ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখাগেছে, বিদ্যালয় ভবনের গোয়াল ঘরে ৫ গরু ও ৩ টি মহিষ বাঁধা আছে। গরু- মহিষের খাবারে খর-কুটা ও ঘাসে একাকার হয়ে আছে। গোবর ও খর কুটার বর্জ্য চারদিকে পঁচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরছে। বিদ্যালয় মাঠ বর্জ্যে ভরে গেছে। শিক্ষার্থীদের নাক চেপে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে হচ্ছে। মশা-মাছি ছড়িয়ে পরছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানজিল, সাদিয়া, সাব্বির ও মুসাদ্দিকা বলেন, বিদ্যালয়ে গোয়াল ঘর থাকায় পরিবেশ চরম আকারে দুষিত হচ্ছে। পঁচা দুর্গন্ধে শ্রেনী কক্ষে টেকা দায়। দ্রুত বিদ্যালয় থেকে গোয়াল ঘর অপসারণের দাবি তাদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বলেন, গত তিন মাস ধরে শাহ আলম হাওলাদার ও ফোরকান হাওলাদার বিদ্যালয় ভবনের গোয়াল ঘর তৈরি করেছেন। দিন-রাত গোয়াল ঘরে গরু ও মহিষ রাখা হচ্ছে। গোয়াল ঘরের বর্জ চারিদিকে ছড়িয়ে পরছে। দ্রুত বিদ্যালয় থেকে গোয়াল ঘর অপসারণের দাবী তাদের।