৩/১৪ ব্লক জি লালমাটিয়া কাজি নজরুল ইসলাম রোড মোহাম্মদপুরস্থ রাহমানিয়া জৈনপুরী খানকা (দরবার) শরিফের উদ্যোগে পবিত্র আশুরা ও মাসিক মাহফিল উপলক্ষে এক তাফসির, খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দোয়া করেন আল্লামা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জৈনপুরী পীর। পীরজাদা আলহাজ্ব সৈয়দ মেশকাতুর রহমান জৈনপুরীর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে মেহমানদের মধ্যে ছিলেন আজীবন সদস্য আলহাজ্ব শেখ জহির আহমেদ, মোহাম্মদপুর থানা সেক্রেটারি রুহুল আমিন খান মেহেদী ও সভাপতি হুমায়ুন কবির, আজীবন সদস্য কাজী মোশাররফ হোসেন, মোঃ জয়নাল আবেদীন, আলহাজ্ব সৈয়দ আদনান প্রমুখ। মিলাদ পাঠ ও বক্তব্যে ছিলেন সহকারী অধ্যাপক মাওলানা তোজাম্মেল হক, মাওলানা মাহমুদুল হাসান মামুন, মাওলানা জাহিদুল ইসলাম পিরোজপুরী, মাওলানা কারী জোবায়ের সাহেব, হাফেজ হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

আশুরার হাকীকাত বর্ণনা প্রসঙ্গে জৈনপুরী পীর সাহেব বলেন, ৬১ হিজরীতে অনুষ্ঠেয় ইরাকের ফোরাত নদীর তীরের কারবালা প্রান্তরে ইয়াযিদের নেতৃত্বে সীমরের মাধ্যমে আহলে বায়তে রাসুল (সাঃ) দয়াল নবীজির কলিজার টুকরা ও নয়ন মনি হযরত হোসাইন (রাঃ) এর প্রতি যেই অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল যার মাধ্যমে বেহেস্তের সর্দার হজরত হোসাইন (রাঃ) স্বপরিবারে শাহাদাৎ বরণ করে বাতেলের মোকাবেলা করে হকের প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছেন। তা কিয়ামত পর্যন্ত এই আশুরার দিন আশেকে রাসুল (সাঃ) ও মুজাহিদিনে ইসলামদের জন্য মহা শোকের দিন, অনুস্মরণীয় ও অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। সত্যিকারের মুজাহিদরা কখনো বাতেলের নিকট মাথা নত করবে না। আজ যারা বিভিন্ন ইসলামী দল ও মহাসম্মেলন করেন তারা কি একজন মুজাহিদ গাজাবাসী ফিলিস্তিনের মুক্তি কমনায় পাঠিয়েছেন? না।

সুতারং আশুরা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে বাতেলের মোকাবেলায় একতাবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ুন।

সুতরাং মুসলিম বাবা ও মাদেরকে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে অনুরোধ করবো যে আপনারা আশুরা থেকে সবক গ্রহণ করুন যে আমাদের দয়াল নবীজির দৌহিত্র এবং হযরত ইব্রাহিম (আঃ) পুত্রের ঘটনাবলী থেকে নূরনবী (সাঃ)-এর নূরের প্রমাণ পাওয়া যায়, বাস্তবেও তাই, যদিও নবিদ্রোহী ইসলামী শত্রুরা তা বিশ্বাস করবে না বা মেনে নিবে না। তবে কুরআন ও হাদিস শরীফে নূরুন্নবীর দলিল রয়েছে আল্লাহ সকল আশেকে রাসূলকে অনুধাবন করার তৌফিক দান করুন আমিন!