বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়ন আমীর মো. আয়নাল হক ও সেক্রেটারি মো. মহিদুল হক গত সোমবার গণমাধ্যমে এক যৌথ বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে একুশে টিভি অনলাইনসহ কয়েকটি অনলাইন মিডিয়ায় ভিত্তিহীন ও আপত্তিকর প্রতিবেদন আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ অভিযোগের বিষয়ে বাউসা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর স্পষ্টীকরণ বক্তব্য হলো: সম্প্রতি বাউসা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সেক্রেটারি শামসুল ইসলাম সম্পর্কে কিছু অনভিপ্রেত ও ভিত্তিহীন অভিযোগ বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, এসব অভিযোগ আমাদের সংগঠনের ভাবমূর্তি এবং শামসুল ইসলামের ব্যক্তিগত সম্মানকে ক্ষুণœ করছে।
আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, এই অভিযোগগুলোর বিষয়ে আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ একটি বিস্তৃত ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধান পরিচালনা করেছে। নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করে দেখেছে যে, অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। এটি একটি ভিত্তিহীন অপপ্রচার, যার উদ্দেশ্য হলো শামসুল ইসলাম ও বাউসা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সুনাম নষ্ট করা। আমরা এই ধরনের মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানাই এবং সংশ্লিষ্ট মহলকে অবিলম্বে এই অপপ্রচার বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি। আপনারা যারা এই অপপ্রচারের সাথে জড়িত রয়েছেন, তাদের প্রতি অবিলম্বে তাদের সকল পোস্ট, মন্তব্য এবং শেয়ার মুছে ফেলার আহ্বান জানাচ্ছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি তারা তাদের অন্যায় ও অনভিপ্রকৃত কাজের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট না করেন, তবে জনাব শামসুল ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনের আওতায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবে। জামায়াতে ইসলামী নীতি ও আদর্শের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা নৈতিকতা ও স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আমাদের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোনো গুরুতর অভিযোগ ওঠে, তবে আমরা তার যথাযথ তদন্তে বিশ্বাসী। আমরা এই ধরনের মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা জানাই এবং এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট মহল এই বিষয়ে বিভ্রান্ত হবেন না এবং সঠিক তথ্যের উপর ভিত্তি করে তাদের অবস্থান গ্রহণ করবেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।