কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা রয়েছে একটি রাস্তা। উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কাওয়ালীকান্দা গ্রামের ওই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করে থাকেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাস্তাটি বর্ষা মৌসুমে থাকে কর্দমাক্ত। তখন যানবাহন তো দূরের কথা পায়ে হেঁটেও চলাচল করা যায় না। এতে যাত্রীদের চলাচলে অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়। রাস্তাটি সংস্কার কিংবা পাকা না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেক স্থানীয় বাসিন্দা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সুখিয়া ইউনিয়নের আশুতিয়া-সুখিয়া পাকা সড়কের কাওয়ালীকান্দা পশ্চিমপাড়া মোঃ নুরুল ইসলামের বাড়ি সংলগ্ন মোড় থেকে একটি রাস্তা রুকুন উদ্দিন মেম্বারের বাড়ির সামনে দিয়ে হাজী ইমাম উদ্দিন মেম্বারের বাড়ির দিকে গেছে। রাস্তাটি ওই মোড় থেকে রুকুন উদ্দিন মেম্বারের বাড়ি হয়ে হাজী ইমাম উদ্দিন মেম্বারের বাড়ি মোড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার। রাস্তার পুরো অংশই কাঁচা। রাস্তাটি প্রায় দশ থেকে তের ফুট প্রশস্ত। এই পথে প্রতিদিন সাইকেল, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাফেরা করছে। তাছাড়া প্রতিদিন এ পথে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ যাতায়াত করেন। এলাকার কৃষকেরা তাঁদের উৎপাদিত সবজি বাজারে আনা-নেওয়াও করেন এই পথে। এই পথের বিভিন্ন অংশে রয়েছে ছোট বড় গর্ত। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে যায়। এতে রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। তখন যান চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে রাস্তায় পানি জমে কাদা হয়ে থাকে।

জানা গেছে, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কাওয়ালীকান্দা ফুরকানিয়া মাদরাসা, কাওয়ালীকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাওয়ালীকান্দা পশ্চিমপাড়া হাজী নিজাম উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রওজাতুল বানাত কওমি মহিলা মাদ্রাসা, দারুল ঊলুম মাদরাসা ও স্কুলের শিক্ষার্থীসহ কাওয়ালীকান্দা পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ, বায়তুন নুর জামে মসজিদের মুসল্লী সহ ঠুটারজঙ্গল, চরপলাশ, খলিশাখালী, বিশ্বনাথপুর গ্রামের শতশত মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী। সামান্য বৃষ্টি হলে পানি জমে কাদাময় হয়ে যায়। এতে এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারীরা চরম দুর্ভোগে চলাফেরা করছেন।