সোনাইমুড়ী, (নোয়াখালী) সংবাদদাতা : নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর জয়াগের বর্মন বাড়ির পাশের ডোবা থেকে গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। গত সোমবার বিকালে ৪টায় সোনাইমুড়ী-রামগঞ্জ সড়কের লাগোয়া একই এলাকার আব্দুল আউয়ালের জায়গার ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ। নিহত রাহেদ পার্শ¦বর্তী লক্ষ্মীপুর জেলার রামচর ইউনিয়নের দক্ষিন কালিকাপুর গ্রামের ইউসুফ কামালের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার বেলা ২টার দিকে বর্মন বাড়ির খোকন চন্দ্রের পুত্র জুয়েল চন্দ্র বর্মন ডোবার পাশে মাছের পোনা ছাড়তে গেলে ডোবা কালো রংয়ের একটি প্যান্ট ও কোমরে গামছা পেচানো পঁচা লাশ দেখতে পায়। তাৎক্ষনিক বিষয়টি স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার হারুনুর রশিদ কে জানালে তিনি সোনাইমুড়ী থানায় অবহিত করে। পুলিশ গলিত লাশটি উদ্ধার করে। এ সময় পরস্পর সংবাদ পেয়ে পাশ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানা এলাকায় রামচর ইউনিয়নের দক্ষিন কালিকাপুর গ্রামের ইউসুফ কামাল(৫৫) সহ তার আত্মীয় স্বজন নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের পরিধানে থাকা প্যান্ট, কোমরের বেল্ট ও পুরাতন গামছা দেখে গলিত লাশটি তার ছেলে রাহেদ হোসেনের লাশ মর্মে সনাক্ত করেন।
এ সময় ইউসুফ কামাল জানান, তার ছেলে রাহেদ অটো রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত। গত ২ মে রাত থেকেই রাহেদ নিখোঁজ থাকায় বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। লাশটি পাওয়ার সংবাদ শুনে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি।
এছাড়া স্থানীয় একটি সূত্রে জানা যায়, গত ৮/৯ দিন আগে জয়াগ বাজারের পশ্চিমে পরিত্যক্ত অবস্থায় ব্যাটারি বিহীন একটি অটো রিক্সা সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের ধারনা পূর্ব শত্রুতা কিংবা স্থানীয় গুরুতর কোন অপরাধ প্রত্যক্ষ করায় অপরাধীরা রাহেদকে খুন করে এখানে লাশ ফেলে যায়।