সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা : সরাইল, উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের হাবলিপাড়া নিহত ময়মুনা আক্তার ময়নার পিতা- আ. রাজ্জাক মিয়া বাহারাইন প্রবাসী। ময়নার তিন বোন এক ভাই ময়না ৩য়। গত ৫ জুলাই শনিবার বিকাল আনুমানিক দুপুর ৩টার সময় বাড়ি থেকে খেলতে বের হয়। এই দিন বিকাল বেলা বাদ আছর মসজিদের মাইকে ময়নার নিখোজের খবর প্রচার করে। ময়নার নিহতর খবর পেয়ে ময়নার পিতা- আ. রাজ্জাক মিয়া বাহারাইন থেকে বাড়িতে আসে। পর দিন রবিবার সকাল বেলায় মসজিদের ইমাম হামিদুর রহমান মসজিদের ২য় তলায় একটি মেয়ে পরে আছে বলে ময়নার মা কে খবর দেন। ময়নার বাড়ি থেকে ৫০ গজ পূর্ব দিকে মসজিদটি। তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আবির আহমেদ জানান, ময়নার শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে, মুখের বাম পাশে আঘাত আছে ও গোপন অঙ্গে দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে, বিস্তারিত জানা যাবে মেডিকেল রিপোর্ট আসলে। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোরশেদ আলম চৌধুরী জানান, তদন্ত কাজ চলছে, তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানা যাবে। স্থানীয় সূত্র জানাযায় ফযর নামাজের জন্য মসজিদ খুলে দিলে হত্যাকারীরা এই সুযোগে মসাজিদের ২য় তলায় ময়নার লাশ ফেলে আসেন। এই ঘটনায় মসজিদের ইমাম হামিদুর রহমান ও মোয়াজেন সাইদুর রহমানকে পুলিশ গ্রেফতার করেন। বতমানে ইমাম ও মোয়াজেন জামিনে বের হয়ে আসেন। নিহত ময়নার লাশটি ময়নার চাচাত চাচা হাবিব মিয়া বাড়িতে নিয়ে আসেন। ময়নার বাড়ির আশে পাশের নিকটতম কোন আত্মীয় নেশাখোর এই হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে বলে এলাকা বাসির ধারনা। ময়নার বাবার অবর্তমানে একই পাড়ার দুই জন তাদের সংসারের খোজ খবর রাখতেন, হাবিব ও তবু মেম্বারের ছেলে হালিম মিয়া।