কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা : কলারোয়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। অবিরাম বৃষ্টির কারণে ও পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে এলাকাবাসী মনে করেন। পৌর সভার ওয়েব সাইড এর তথ্য মতে ১৯৯০ সালের ১১ মার্চ কলারোয়া পৌর সভা স্থাপিত হয়। পৌর সভার বর্তমান আয়তন ১৫.০৭ বর্গ কিলোমিটার । মোট জনসংখ্যা ৩১ হাজার ৪ শত ৩৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৫ হাজার ৯ শত ৯২ জন এবং মহিলা ১৫ হাজার ৪ শত ৪৪ জন। এখানে পাকা রাস্তা রয়েছে ৫৬.০৪ কিলোমিটার এবং কাচা রাস্তা রয়েছে ০৭ কিলোমিটার । ২০০৪ সালের ২৭ মে এ পৌর সভাটি খ শ্রনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই অবধি আজ পর্যন্ত এর তেমন কোন উন্নয়ন লক্ষ্য করা যায় নি। এদিকে পৌর সভা নির্বাচন আসলেই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন প্রার্থিরা। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর তারা আখের গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ফলে পৌর বাসির কপালে জোটে সেই চরম দুর্ভোগ ও ভোগান্তি। মেয়র ও কাউন্সিলরদের বদল হয় একের পর এক কিন্তু উন্নয়ন হয় না এলাকার। প্রতিবার প্রতারণার শিকার হচ্ছেন পৌর বাসিরা। শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে যায় এলাকার জনসাধারনের কাছ। আজও পর্যন্ত পরিকল্পিত কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয়নি। যার বর্ষা মৌসুমে এ দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে। জন সাধারণের চলাচলের জন্য যে পাকা রাস্তা রয়েছে তার অবস্থা খুবই নাজুক। চায়ের দোকান গুলোতে বসলে পৌর সভার উন্নয়নের বিরুপ মন্তব্য করতে শুনা যায়।

সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, গত এক সপ্তাহ টানা বৃষ্টির কারণে পৌর সভার পিছনে,থানার সামনে, হাসপাতাল রোড, সরকারী কলেজ পাড়া,থানার পিছনে, গদখালি,মির্জাপুর পশ্চিমপাড়া,বেত্রাবতি স্কুলের পাশে, উপজেলা চত্বর এবং মুরালীকাঠি এলাকায় জলবদ্ধার সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে এখানকার মানুষের ভোগান্তির অন্ত নেই। জলবদ্ধতা নিরশনের ব্যবস্থা করতে জনসাধারণ পৌর প্রশাসকের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।

এদিকে পৌর সভার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোঃ জহুরুল ইসলাম এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি নিজে জলাবদ্ধতা এলাকা পরিদর্শন করছি। এ সমস্যা নিরশনের জন্য উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে এবং কিছু এলাকায় কাজ চলমান রয়েছে।