“গ্রাম আদালত হলো সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সহজ ও কার্যকর মাধ্যম। গ্রামের মানুষ যেন ছোটখাটো বিরোধ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ না হয়ে নিজ এলাকাতেই ন্যায়বিচার পায়- সেই লক্ষ্যেই সরকার এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।”
সম্প্রতি রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করতে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় সভায়’ এ কথা বলা হয়। এবিষয়ে স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক মো. জাকিউল ইসলাম বলেন, “গ্রাম আদালত সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো পর্যাপ্ত ধারণা নেই। তাই আমাদের দায়িত্ব হলো জনগণকে এই কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করা এবং ন্যায়বিচারের পথ সহজ করা। প্রচার-প্রচারণা বাড়লে মানুষ মামলা না করেই ন্যায্য সমাধান পেতে উৎসাহিত হবে, এতে সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে।” তিনি বলেন, এনজিও প্রতিনিধি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এই কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোর সহযোগিতা গ্রাম আদালত কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও টেকসই করতে পারে। সভায় বক্তারা জানান, গ্রাম আদালত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ছোটখাটো বিরোধ নিজেরাই মীমাংসা করতে পারবে, এতে মামলা জট হ্রাসের পাশাপাশি স্থানীয় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা পাবে। বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভা সঞ্চালনা করেন প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী মো. লুৎফর রহমান। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আকতার, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক এটিএম গোলাম মাহবুব, জেলা সমাজসেবা অফিসের উপপরিচালক মনিরা খাতুন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একে এম আনোয়ার হোসেন, জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক নাফেয়ালা নাসরিন এবং জেলা আনসার ও ভিডিপি অফিসের সিএ তরুণ কুমার।