ঈদগাঁও (কক্সবাজার) সংবাদদাতা : ঈদগাঁওতে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কারের অভাবে প্রায় দশ একর কৃষি জমির চাষাবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ড্রেন থাকলেও ১৮০ ফিট পাকা ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে পাড় ভেঙ্গে জমির উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় চাষাবাদ ব্যহত হচ্ছে। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের সুবিধার্থে পাকা ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।
গতকাল (রোববার) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের চাঁন্দেরঘোনা ও ভাদিতলার মধ্যবর্তী এলাকায় প্রায় দশ একর জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে না। বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় উপর থেকে নেমে আসা কয়েকটি গ্রামের পানি উল্লেখিত চাষাবাদের জমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ভাঙ্গনের মুখে থাকা দশ একর জমিতে চাষাবাদ অনিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আরো কয়েক একর জমির চাষাবাদ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
জমির মালিক জামাল উদ্দিন বলেন, একটি পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের অভাবে কয়েক বছর ধরে আমাদের কৃষি জমিতে চাষাবাদ করতে পারছি না। ফলে পূরণ হচ্ছে না পরিবারের খাদ্য চাহিদা। আর্থিকভাবেও ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। দ্রুত পাকা ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের অনুরোধ জানান তিনি।
কৃষক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে কয়েকটি গ্রামের পানি নেমে আসার ফলে প্রতি বছর ড্রেনের পাড় নির্মাণ করেও ভাঙ্গন রোধ করা যাচ্ছে না। জমিতে বালিয়াড়ি তৈরী হয়ে চাষাবাদ এর উপযুক্ততা হারাচ্ছে। ফলে চাষাবাদ অনিশ্চিত।
এ বিষয়ে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্মকর্তা শওকত হোসেন বলেন, পাকা ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের দায়িত্ব আমাদের নয়। এটি এলজিডি কিংবা সংশ্লিষ্ট দফতরে যোগাযোগ করতে হবে। কৃষি কর্মকর্তা আবিদা নাছরিন তন্নি বলেন, চাষাবাদ অনিশ্চিত এর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দফতরে রিপোর্ট পাঠানো হবে।
ঈদগাও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম বলেন, আগামী বাজেটে ইউএনও মহোদয়ের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ড্রেন নির্মাণের জন্যে চেষ্টা করা হবে। ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিমল চাকমা বলেন, এ বিষয় পরিদর্শন করার আগে কিছু বলা যাচ্ছে না। খুব শিঘ্রই উল্লিখিত জায়গায় পরিদর্শন করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।