আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নাজনীন নাহার মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটি পাওয়ার জন্য বারবার আবেদন করেও না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, তার ছুটি ও বেতন সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাওয়ায় স্বামীকেও অপমান ও দুর্ব্যবহারের শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ২০১৩ সালে শিক্ষকতা শুরু করা নাজনীন জানান, ২০২৪ সালের জুনে ভারতের চেন্নাই থেকে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে যমজ সন্তান গর্ভে ধারণের খবর পান। চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ছুটির আবেদন করলেও তা অনুমোদন করেননি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। ছুটি মঞ্জুর না হওয়ায় তার কয়েক মাসের বেতন ও বিল আটকে যায়।শিক্ষিকা নাজনীন অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালের ২৩ মে তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটির জন্য আবেদন করেন। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দেওয়া হলেও তা অগ্রাহ্য করা হয়। পরে অফিস থেকে জানানো হয়, তার আবেদনপত্র নাকি হারিয়ে গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম আবদুর রব বলেন, আমরা উপজেলা অফিসকে ছুটি মঞ্জুরের নির্দেশ দিয়েছি। তবে পরবর্তীতে আর কোনো তথ্য পাইনি।
গ্রাম-গঞ্জ-শহর
ছুটি না পেয়ে বেতন বন্ধ হেনস্তার শিকার অন্তঃসত্ত্বা শিক্ষিকা
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নাজনীন নাহার মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটি পাওয়ার জন্য বারবার আবেদন করে