সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা: পাওয়ার টিলারের অবাধ চলাচলের কারণে গরু দিয়ে চাষ করা এখন অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। কৃষকদের এখন আর তাদের জমি চাষের জন্য গরুর লাঙ্গল ব্যবহার করতে দেখা যায় না, কিন্তু একসময় মানুষ পাওয়ার টিলার সম্পর্কে জানত না। তখন কৃষি কাজের একমাত্র উপায় ছিল গরুর লাঙল। কৃষকরা ভোর হওয়ার আগেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গ্রামের রাস্তা ধরে মাঠে ছুটে যেত, আজকাল সেই দৃশ্য আর দেখা যায় না। সময় অনেক বদলে গেছে। আর তার সাথে সাথে গরু আর লাঙলেরও পরিবর্তন হয়েছে। পরিবর্তে এসেছে পাওয়ার টিলার। গ্রামবাংলার ক্ষেত এখন ধোঁয়া ছড়িয়ে সুন্দরগঞ্জে জমিতে পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষাবাদ করা হয়। এখন ৯৯ শতাংশ জমি এই পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষাবাদ করা হয়। প্লাগলিং বিলুপ্তির কারণ হলো- পাওয়ার টিলার সস্তা এবং চাষাবাদে অনেক কম সময় লাগে। সময়ের অভাবের কারণে, এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকার কর তুলে নেওয়ার পর থেকে গ্রামবাংলায় পাওয়ার টিলারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই আগে গরুর হালে জমি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন, কিন্তু এখন সেই সুযোগ আর নেই। এখন জমর মালিকরা জমি চাষের জন্য কোনও কৃষক নিয়োগ করতে চান না।
তাই যারা জমি চাষ করতেন তারা তাদের গরু বিক্রি করে দিয়েছেন।একজন কৃষক বলেন যে একসময় তাঁর কাছে কয়েকটি গরু ছিল। তিনি ওই গরু দিয়ে জমি চাষ করতেন। বর্তমানে তার কাছে কোনও গরু নেই। নৌলি গ্রামের চাষি ইলিয়াজ শেখ বলেন যে তার চারটি গরু ছিল।সব বিক্রি করে দেওয়ায় তার আর কোন গরু নেই। এখন ভরসা পাওয়ার টিলার এর উপর।