পলাশ (নরসিংদী) সংবাদদাতা: মোবারক হোসেন নরসিংদীর পলাশে ইছাখালি গ্রামের মৃত সোহরাব এর একমাত্র ছেলে সোহান ও তার ভগ্নিপতি আক্রাম মিয়া দালানের প্রলোভনে ১৪ লাখ টাকার বিনিময়ে চকলেট কারখানায় কাজের কথা বলে রাশিয়ায় পাঠায় ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর ১০ জনের একটি দল। সেখানে সেন্টপিটাসবাগ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর বিমানবন্দরেই আটকে রাখে ৪/৫ দিন এর আগে এক দিন পরই সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে শ্যালক ও ভগ্নিপতি দুজনকে নিয়ে যায় সেনা ক্যাম্পে। সেখানে নিয়ে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য দেওয়া হয় সামরিক পোশাক নিতে না চাইলে দেওয়া হয় হত্যার হুমকি এমনকি খাবার দাবারও দেওয়া হত না। এমন পরিস্থিতিতে বোনজামাই আক্রাম কৌশলে পালিয়ে গিয়ে ফোনে বাড়ি থেকে দেড়লাখ টাকা নিয়ে টিকেট কেটে ১৬ জানুয়ারি ২০২৫ বাড়িতে চলে আসে, এদিকে শ্যালক সোহেনকেও পালিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছিল কিন্ত পেরে ওঠেনি। তার পর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে রাশিয়ার সৈন্যদের সাথে সহযোদ্ধা হিসেবে রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনে যুদ্ধের ময়দানে নামিয়ে দেয়। ৬ মাস পর ২১ জুন ২০২৫ সহযোদ্ধা জাফরের ফোন থেকে তার মার ফোনে ফোন করে বলে যে তার ছেলে সোহান আর বেঁচে নেই। সরেজমিনে ইছাখালী তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় শোকের মাতম। সোহান ইছাখালী মৃত সোহরাব মিয়ার ছেলে পরিবারে তার মা নুরজাহান স্ত্রী হাবিবা ও ১৬ মসের ছেলে ফারহান রয়েছে।
গ্রাম-গঞ্জ-শহর
পলাশের সোহান দালালের খপ্পরে পড়ে রাশিয়া গিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
মোবারক হোসেন নরসিংদীর পলাশে ইছাখালি গ্রামের মৃত সোহরাব এর একমাত্র ছেলে সোহান ও তার ভগ্নিপতি আক্রাম মিয়া দালানের প্রলোভনে ১৪ লাখ টাকার বিনিময়ে চকলেট কারখানায় কাজের কথা বলে রাশিয়ায় পাঠায় ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর ১০ জনের একটি দল।