সলঙ্গা (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : সিরাজগঞ্জে রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গাতে গরু চুরির হিড়িক পড়েছে। তেমনি আমশড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের দুইটি গরু চুরির হয়েছে। সংঘবদ্ধ চোরের দল প্রতি রাতেই কোন না কোনো কৃষক ও খামারির বাড়িতে হানা দিচ্ছেন। ফলে চরম আতঙ্কে রয়েছেন তারা। কষ্টের পালিত গরু রক্ষার জন্য কেউ কেউ আবার গোয়াল ঘরেই নির্ঘুম রাত পার করছেন। তবে অজ্ঞাত কারণে বেশিরভাগ চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে আগ্রহী নয় ভুক্তভোগীরা। তাদের দাবি পুলিশের তেমন তৎপরতা না থানায় অভিযোগ দিয়েও মিলছেনা কোন প্রতিকার।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার রায়গঞ্জ উপজেলায় সলঙ্গার প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই কম বেশি কিছু লাভের আশায় ২-৪টি আবার অনেকে বেশি করে গরু লালন পালন করেন। এতে সাবলম্বীও হয়েছেন অনেকে। কিন্তু শুধু কুরবানি ঈদ সামনে রেখে তা নয়, সারা বছর এখন গরু চোরের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েই চলছে এসব উপজেলায় প্রতিরাতেই কারো না কারো বাড়িতে গরু চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটছে।
রায়গঞ্জ উপজেলার ৩নং ধুবিল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের আমশড়া গ্রামের বাসিন্দা পল্লীচিকিৎসক আব্দুল মালেক জানান, গত রবিবার (২৩ জুন) গভীর রাতে আমার প্রায় দুই লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের খয়ারী লাল রঙের একটি ৭ মাসের গর্ভপতি ও একটি মাঝারি আকারের গরু গোয়ালঘরে তালা ভেঙে চুরি করে নিয়ে গেছে। তিনি আরো জানান, সিসিক্যামরার ভিডিও ফুটেজ অনুযায়ী কয়েকজন সংঘবদ্ধ চোরের দল পিকাপে গরু তুলে নিয়ে যাওয়া দেখা গেলেও চোরের ফেছ চেনা যায়নি। তিনি ও তার পরিবারের লোকজন সোমবার সলঙ্গা হাটসহ বিভিন্ন গরুর হাটে খোঁজ করেও কোন সন্ধান পায়নি। তবে এ ঘটনায় তিনি এখনও থানায় অভিযোগ দায়ের করেননি। এ ঘটনায় আব্দুল মালেক ও তার পরিবার বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। এদিকে প্রতি রাতে এমন চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশের তৎপরতা নেই বলে দাবি করছেন ক্ষতিগ্রস্ত আব্দুল মালেক ।
২টি গরু চুরির বিষয়ে জানতে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এই বিয়য়ে থানায় থানায় কোন অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।