ধামরাই (ঢাকা) সংবাদদাতা : ঢাকার ধামরাই উপজেলার সানোড়া গ্রামের আওয়ামী লীগ সমর্থিত পরিবারের সন্তান কুলি রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল সুমনের পাহাড় পরিমাণ অবৈধ সম্পদের খোঁজ প্রশাসন পাওয়ার পরে ও সে বহাল তবিয়তে রয়েছে।
জানাগেছে, ধামরাইয়ের সানোড়া গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তান কনস্টেবল সুমন হঠাৎ পাহাড় পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক বনে যাওয়ায় বিভিন্ন অভিযোগে ২০২১ সালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে পুলিশের (এস বি) কাছে তদন্তের জন্য দিলে তদন্ত কর্মকর্তা কনস্টেবল সুমনের অবৈধ সম্পদের খোঁজ পেয়ে (এসবি) সঠিক প্রতিবেদন প্রদান করেন পুলিশ হেডকোয়ার্টারে। অবৈধ সম্পদের সঠিক তথ্য পাওয়ায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কনেস্টেবল সুমন কে চাকরি থেকে সাময়িক বহিষ্কার প্রদান করে। কিন্তু চতুর দুর্নীতি বাজ সুমন মোটা অংকের উৎকোচ দিয়ে অসাধু তদন্ত পুলিশ কর্মকর্তা কে ম্যানেজ করে পুনরায় চাকরিতে বহাল হয়েছে । যে কারণে কনেস্টেবল সুমন বহাল তবিয়তে থেকে ধামরাই, সাভার ও আশুলিয়ায় এলাকায় পুলিশের কনেস্টেবলে নিয়োগ বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা অবৈধ ভাবে হাতিয়ে নিয়ে সে দুর্নীতি, অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে এখন ও। এই কনেস্টেবল সুমন প্রায় এক হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ায় এলাকায় জনমনে এখন বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। আওয়ামী লীগ সমর্থিত পরিবারের সন্তান এই চতুর কনেস্টেবল সুমন তার অবৈধ সম্পদ প্রায়ই তার ভাই , বোন , স্ত্রী ও ছেলে মেয়ের নামে লিখে দিয়েছেন যাতে সে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদকের) জালে ধরা না পরে । এখন ও প্রতিনিয়ত গোপনে সকাল বিকাল তরুন তরুণিরা পুলিশ কনেস্টেবল, কারারক্ষী ও বিজিবি সহ বিভিন্ন চাকরির জন্য ভীর জমাচ্ছে সুমনের ভাই সানোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগয়ের ৯ নং ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি নাজিমুদ্দিনের কাছে । ১২/১৫ লাখ টাকার বিনিময়ে পুলিশ কনস্টেবলে চাকরি দিচ্ছে এই সুমন চক্ররা। সুমনের ভাই , ভাতিজা ও ভাতিজি জামাই মিলে ১০ জন সরকারি চাকরি হয়েছে এই দুর্নীতি চক্রের ম্যাধমে । ৫ আগষ্টের আগে এই কনেস্টেবল সুমন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনকে প্রতিহিত করতে আওয়ামিলীগের ঢাকা ২০ আসনের সাবেক এমপি বেনজির আহমেদ কে অর্থের যোগান দিতেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সঠিক তদন্ত করলেই বের হয়ে আসবে সুমনের দুর্নীতি ও অনিয়মের আসল চিত্র।