বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদাতা : সম্প্রতি বাগমারা সহ আশেপাশের এলাকায় হায় হায় সমবায় সমিতির অবৈধ কার্যক্রম মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এসব সমবায় সমিতির নিবন্ধন নেওয়ার সময় সদস্যেরে বাইরে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে না মর্মে অঙ্গিকার করা হলেও সেই অঙ্গিকার আর কেউ মানে না। তারা উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দিয়ে সাধারন মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ সঞ্চয় হিসাবে জমা নিয়ে উচ্চ সুদে এই টাকা সমিতির বাইরে বিনিয়োগ করে থাকে। কিছু দিন ওই সমস্ত গ্রাহকের টাকার লভ্যাংশ প্রদান করা হলেও পরবর্তীতে সাধারণ গ্রাহকের পুরো টাকা আত্মসাত করে অফিস গুটিয়ে উধাও হয়ে যায় উচ্চ সুদের কারবারী হায় হায় সমিতি। এভাবে একের পর এক সমিতি লাপাত্তা হতে থাকে। শত শত ভুক্তভোগি গ্রাহক চলে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে। তিনি অভিযোগ শুনে তদন্তে ঘটনার সত্যতা পান। পরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে প্রায় বারটি সমবায় সমিতিকে জরিমানা ও চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ্বন্ড প্রদান করেন। তার পরও থেমে থাকে না তাদের দৌরাত্ন। পরে সমবায় কর্মকর্তা কাউসার আলীকে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার নির্দেশ প্রদান করেন ইউএনও। পরে ইউএনও’র নির্দেশে বাগমারার মোট নিবন্ধিত ২৯ টি সমবায় সমিতির কার্যক্রম যথাযত ভাবে তদন্ত করে ৫৩টি সমবায় সমিতির কার্যক্রমে অস্বচ্ছতা, বিধি ও নিয়মের বাইরে কার্যক্রম পরিচালনা উচ্চ সুদ হার আদায় ও সদস্যের বাইরে কার্যক্রম পরিচালনা সহ নানান অসংগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় গত ৮ সেপ্টেম্বর এক পরিপত্রের মাধ্যমে মোট ৫৩টি সমবায় সমিতির নিবন্ধন বাতিল করা হয়।
গ্রাম-গঞ্জ-শহর
অবৈধ ঋণ কার্যক্রম, উচ্চ সুদ হার ও গ্রাহকের টাকা আত্মসাত বাগমারায় ৫৩টি সমবায় সমিতির নিবন্ধন বাতিল
সম্প্রতি বাগমারা সহ আশেপাশের এলাকায় হায় হায় সমবায় সমিতির অবৈধ কার্যক্রম মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এসব সমবায় সমিতির নিবন্ধন নেওয়ার সময় সদস্যেরে বাইরে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে না