নবাবগঞ্জ (ঢাকা) সংবাদদাতা : রাজনৈতিক সহচর, স্বজন, ছাত্র, শিক্ষক, এলাকাবাসী সহ কয়েক হাজার মানুষ শেষ বিদায় জানালো ঢাকার দোহার উপজেলায় দুর্বৃত্তের গুলীতে নিহত স্কুল শিক্ষক ও বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ (হারুন মাষ্টার)। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে তাঁর নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।
হারুন মাষ্টারের নামাজের জানাযায় ইমামতি করেন বাস্তা দারুল উলুম মসজিদের ইমাম মাওলানা কারী হাফেজ আবদুল ওয়াহাব দোহারী। পরে শিলাকোঠা কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। বুধবার সকাল ৬টার দিকে ঢাকার দোহার উপজেলার নয়াবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক হারুনুর রশিদ (হারুন মাষ্টার) বাড়ি থেকে হাঁটতে বের হোন। এসময় স্কুলের কাছে পদ্মানদীর পাড়ে হাঁটার সময় দুই মটর সাইকেলে ৫ যুবক এসে তাঁকে গুলী করে ও কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
এ মাসের ২০ তারিখে শিক্ষকতা থেকে অবসরে যেতেন হারুন মাষ্টার। কিন্তু শত্রুর কাছে হার মেনে চিরদিনের জন্য অবসরে চলে গেলেন তিনি। জানাযার মাঠে অশ্রু ভেজা চোখগুলো জানান দিচ্ছিলো শোকাবহতার চিত্র। পুরো মাঠ জুড়েই যেন চলছিল শোকের মাতম। নিহতের স্ত্রী নাহিদাকে জড়িয়ে ধরে ছিলেন তাঁর প্রতিষ্ঠানের সহকর্মীরা। এমন এক শোকাবহ পরিবেশে হাজারো মানুষের চোখের চলে চিরবিদায় নিলেন তাঁদের প্রিয় শিক্ষক ও রাজনৈতিক নেতা হারুনুর রশিদ (হারুন মাষ্টার)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, স্থানীয় বাসিন্দা, স্কুলের শিক্ষক-ছাত্র, অভিভাবকসহ শুভাকাঙ্খিরা ছুটে আসেন বাহ্রা স্কুল মাঠে। প্রিয় শিক্ষক হারুন মাষ্টারকে শেষবারের মতো দেখতে।
দোহার থানায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। এবিষয়ে দোহার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম জানান, পুলিশের একাধিক ইউনিট ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেফতারে মাঠে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্ত ও লাশের দাফন কাজে ব্যস্ত থাকায় নিহতের পরিবার এজাহার দিতে পারেনি। লিখিত পেলেই মামলা নেয়া হবে। জানাজা শেষে নিহতের বাড়ীতে আসেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আসফাক তিনি নিহতের পরিবারের সাথে কথা বলেন এসময় দোহার থানার ওসি হাসান আলী উপস্হিত ছিলেন।খন্দকার আবু আসফাক প্রশাসনের কর্মকর্তা দের আসামীদের দূত গ্রেফতারের দাবী জানান।
দোহার থানার ওসি হাসান আলী বলেন আমরা গত ২৪ ঘন্টা নির্ঘুমভাবে প্রচেষটা চালাচিছ প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা প্রকৃত খুনী চক্র কে গুঁজে বের করে আাইনের আওতায় আনবো ইনশাল্লাহ ।
নিউজ করার পূর্বে দোহারের সার্কেলের এসপি আশরাফুল আলমের সাথে টেলিফোনে জানা যায় এ পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার হয়না আর পরিবারের পক্ষ হতে থানায় মামলা হয় না।