রংপুর অফিস, তারাগঞ্জ ও বদরগঞ্জ সংবাদদাতা

রংপুর-২ বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অন্যতম কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেন, ফায়ার সার্ভিস শুধু আগুন নেভানোর কাজ করেনা, বরং তারা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায়ও গুরুত্বর্পূন দায়িত্ব পালন করে। তিনি বলেন, অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতার কোন বিকল্প নেই।

সকালে তারাগঞ্জ উপজেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি দুর্যোগ মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিসর সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অগ্নি দুর্ঘটনা রোধে জনগণকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয় অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধে তারাগঞ্জ বাজারে একটি ওয়াটার রিজার্ভার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোনাব্বর হোসেন। অনুষ্ঠানে তারাগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ষ্টেশন অফিসার এস এম শরীফ আহম্মদ আাব্দুল্লাহ, থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমীন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এস এম আলমগীর হোসেন, সেক্রেটারি ইয়াকুব আলী, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান,এমপি প্রতিনিধি প্রভাষক আমিনুল ইসলাম এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি গতকাল দুপুরে বদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের আইনশৃংখলা কমিটির মাসিক সভায়ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণসহ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক পরিতোষ চক্রবর্তী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মুহাম্মদ কামরুজ্জামান কবির, উপজেলা নায়েবে আমীর শাহ্ মুহাম্মদ রুস্তম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মিনহাজুল ইসলাম এবং উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারি অধ্যাপক আজিজুল হক এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। সভায় কিছু বিচ্ছিন্ন বিষয় ছাড়া সার্বিক আইনশৃংখলা পরিস্থিতি সন্তোয় প্রকাশ করা হয়। এছাড়া মাদকের প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে কঠোর সতকর্তার সাথে দায়িত্ব পলনের আহবান জানানো হয়।

এসময় এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উদ্যেশ্যে বলেন, অপরাধী যেই হোক তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে যদি আমার দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীরও কেউ অপরাধ করে তাকেও ছাড় দেয়া যাবেনা। অপরাধ প্রমান হলে তাদের দল থেকে বহিস্কার করা হবে।