শিল্পাঞ্চল সংবাদদাতা : জাল ওয়ারিশ সনদের মাধ্যমে জমি আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও ভূমি কর্মকর্তাসহ খুলনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

৮ অক্টোবর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. আশিকুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি (মামলা নম্বর-১২/২০২৫) করেন।মামলার আসামিরা হলেন খুলনার ফুলতলা উপজেলার ১ নম্বর আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান খানজাহান আলী থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক শেখ মনিরুল ইসলাম, শেখ মো. গিয়াস উদ্দিন, মোস্তফা গোলাম সরওয়ার, ও সাবেক সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা শেখ আসলাম হোসেনের স্ত্রী আম্বিয়া বেগম। এ ছাড়া জমি নামজারি প্রক্রিয়ায় দায়িত্বে অবহেলা ও যোগসাজশের অভিযোগে দামোদর ইউনিয়নের তৎকালীন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এম এম মনিরুজ্জামান ও সার্ভেয়ার মিজানুর রহমানকেও আসামি করা হয়।দুদক জানায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জাল ওয়ারিশ সনদ তৈরি ও ব্যবহার করে জমি আত্মসাৎ করেছেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১৮/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। এদিকে স্থানিয়রা জানান আওয়ামীলীগ নেতা শেখ মনিরুল ইসলাম ফুলতলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি কর্মী জিকো হত্যা মামলার আসামি আকরাম হোসেন এর ছোট ভাই। ভাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার সুবাদে সে সময়ে শেখ মনিরুল ইসলাম অবৈধভাবে একাধিক ওয়ারেশ কায়েম সনদ প্রদান সহ পরিষদে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করে।

অনেক নিরীহ মানুষ তখন ভয়ে কথা বলতে সাহস পায়নি। একাধিক সুত্রে জানা যায় এসব কাজে সহযোগিতা করতেন ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৩৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা এস এম রাসেল। অতিদ্রত আওয়ামীলীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মনিরুল সহ জাল ওয়ারিশ সনদের মাধ্যমে জমি আত্মসাতের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগি পরিবার সহ এলাকাবাসি।