তরিকুল ইসলাম, বটিয়াঘাটা : আজি ঝর ঝর মুখর বাদল দিনে, কদমের সুরভে মোহিত আপন মণ।
বর্ষাকালের বাহারি ফুলের রানী কদম ফুল সে তো সবারই চেনা জানা। গাছে গাছে সবুজ পাতার ডালে গোলাকার মাংসল পুষ্পাধার। আর তার থেকে বের হওয়া সরু হলুদ পাপড়ির মুখে সাদা অংশ কদমকে সাজিয়ে তুলেছে ভিন্ন ভাবে। গোলাকার হলদে-সাদা মিশ্রিত ফুলটি দেখতে যেন ভোরের উষা।
বর্ষার মেঘের সঙ্গে মিতালি বলেই এর আরেক নাম মেঘাগমপ্রিয়। আর নারীর সৌন্দর্যের সঙ্গে তুলনা করে অনেকেই বলে ললনাপ্রিয়। এ ছাড়াও স্থান কাল পাত্র ভেদে বিভিন্ন নামেও কদমের পরিচিতি রয়েছে।
উপকূলীয় খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা সহ বিভিন্ন গ্রাম গঞ্জে কদম ফুল গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে। কদম ফুলের মৌ মৌ গন্ধে আর দৃষ্টিনন্দন রুপ সবার নজর কাড়ছে। বর্ষার অনুভূতি ও অপরূপ সৌন্দর্যের দাবিদার কদম ফুল। তবে কদম গাছ কমে যাওয়ায় এখন মানুষ তার ঐতিহ্য ভুলতে বসেছে। এমনকি কালের বিবর্তনে কদম ফুল গাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে। এইতো মাত্র কয়েক বছর আগেও আষাঢের কদম গাছ ফুলে ফুলে ভরে থাকত। কদম ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্য ফুল পিপাসুদের তৃপ্তি মিটাতো। তরুণ-তরুণীরা কদম ফুল তাদের প্রিয়জনকে উপহার দিত। মেয়েরা পরতো খোঁপায়।খেলায় মেতে উঠত শিশুরা। সর্বোপরি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য রক্ষায় প্রত্যেক বাড়ির আঙিনায় একটি করে কদম গাছ লাগানো জরুরী বলে স্থানীয় পরিবেশবিদদের অভিমত।