শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা : যশোরের বেনাপোল পৌর কাউন্সিলর সবার প্রিয় আমিরুল ইসলাম আর নেই। তিনি গত সোমবার রাত সাড়ে ১২টার সময় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে মরহুমার বয়ষ হয়েছিল ৬০ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুম আমিরুল ইসলাম বেনাপোল ট্রান্সপোট সমিতির একজন নেতা ও বেনাপোল পৌর সভার ৪ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর ছিলেন। আমিরুল ইসলাম কাগজপুকুর বাজারের মৃত ঈমান আলী মন্ডলের ছেলে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

মরহুম আমিরুল ইসলামের বড় ছেলে সাইফুল ইসলাম জানান, তার পিতা সোমবার যশোর আদালতে নাশকতা মামলায় হাজিরা দিয়ে বাড়িতে আসেন। এরপর তিনি অফিস করেন। সাইফুল বলেন তার পিতা এশার নামাজ ও রাতের খাবার খেয়ে ১১টার সময় ঘুমিয়ে পড়েন। অতঃপর রাত ১২টার পরে তিনি বুকে ব্যাথা অনুভব করলে তখনই বেনাপোল রজনী ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন

মরহুম আমিরুল ইসলামের জানাযা যোহর নামাজের পর কাগজপুকুর সরকারী প্রাইমারী স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। পরে কাগজপুকুর কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়। মরহুমের নামাজে জানাজায় জামায়াতে কেন্দ্রয়ি কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক যশোর জেলা আমীর মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওঃ হাবিবুর রহমান, শার্শা উপজেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নূরুজ্জামান লিটন, বেনাপোল পৌর বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব আবু তাহের (ভারত), বেনাপোল পৌর জামায়াতের আমির মোঃ রেজাউল ইসলাম, সেক্রেটারী মাওলানা মোঃ ইউছুপ আলী, মাওলানা ইরিয়াস, মাওলানা অহিদুজ্জামান দুদু, শার্শা উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম, বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির সভাপতি আতিকুজ্জামান ছনি, সাধারণ সম্পাদক গাজী আজিম উদ্দিন, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাজেদুর রহমানসহ বেনাপোল ও শার্শার বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও সুধী জানাজায় অংশ নেন। মরহুমের নামাজে জানাজা পড়ান জামায়াতে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক যশোর জেলা আমীর মাওলানা আজিজুর রহমান।