সাতক্ষীরা সংবাদদাতা : সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কাকডাঙ্গা, কালিয়ানী, তলুইগাছা, মাদরা ও হিজলদী বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৫০ পিস ভারতীয় কাটাগ্রা ট্যাবেলেটসহ প্রায় দশ লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল আটক করেছে। বিজিবি জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কেড়াগাছি হতে ৫০ পিস ভারতীয় কাটাগ্রা ট্যাবলেট আটক করে। এছাড়াও, কাকডাঙ্গা বিওপি’র আভিযানে ভাদিয়ালী, কেড়াগাছি ও গেড়াখালী হতে ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ ও শাড়ি আটক করে। ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের আভিযানে চেকপোষ্ট এলাকা হতে ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি আটক করে।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারনে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। বিজিবি টহলদল কর্তৃক উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমস এ জমা করার কার‌্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

হরিণাকুন্ডুতে স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা : ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় চাঞ্চল্যকর জসিম হত্যা মামলায় স্ত্রী রিতা খাতুন ও তার পরকীয়া প্রেমিক আব্দুল মালেককে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত। সম্প্রতি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য্য এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মামুনুর রশিদ জানান, দ-প্রাপ্ত রিতা খাতুন উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের জয়নাল মন্ডলের মেয়ে এবং আব্দুল মালেক ভালকী গ্রামের জালাল মন্ডলের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৭ নবেম্বর রিতা খাতুন তার পরকীয়া প্রেমিক মালেকের সহায়তায় স্বামী জসিম উদ্দিনকে কৌশলে বাড়ির পাশে ডেকে নিয়ে চেতনানাশক খাইয়ে হত্যা করে। ঘটনার পর নিহতের ভাই আব্দুর রশিদ বাদী হয়ে হরিণাকুন্ডু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অনিশ মন্ডল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত উভয় আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদ- দেন।

বাদীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এ্যাড. রবিউল ইসলাম, এ্যাড. নেকবার ও এ্যাড. রিমা ইয়াসমিন এবং আসামিপক্ষে ছিলেন এ্যাড. আনোয়ার হোসেন ও এ্যাড. গৌতম কুমার।

রায় ঘোষণার পর নিহত জসিম উদ্দিনের ভাই আব্দুর রশিদ বলেন, আসামিদের ফাঁসি হলে আমরা আরও সন্তুষ্ট হতাম। তারা পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে হত্যা করেছে, সেটি আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি।