কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) সংবাদদাতা: ঢাকা কেরানীগঞ্জ ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর সদর দপ্তরে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর জিএম মোঃ খালেদুল ইসলামকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে সাংবাদিক সম্মেলন ও কর্মবিরতি পালন করেছে আরইবি কর্মকর্তা কমর্চারীরা। এসময় প্রায় ২০০ কর্মকর্তা কমর্চারী এ সাংবাদিক সম্মেলনে অংশ গ্রহন করেন।

সম্প্রতি কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর সদর দপ্তরে জিনজিরা অফিসের সামনে এ সাংবাদিক সম্মেলন ও কর্মবিরতি পালন করে। এ কর্মসূচির নেতৃত্বদেন ডিজিএম মেহেদী, ইএমসি শাখা ও এজিএম জহিরুল ইসলাম।

এছাড়া তারা ঢাকায় জাতীয় শহীদ মিনারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চলমান আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করে “চলো চলো ঢাকা চলো” ব্যানারে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এবং সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, বিএস মালাকার। সাংবাদিক সম্মেলনে বিএস মালাকার বলেন, আরইবি এর নিম্নমানের মালামাল বয়কট করার কথা উল্লেখ করেন। আরইবি’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাথে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ এনে আরইবি-পল্লী বিদ্যুৎ একীভূতকরণ, লাইন ম্যান, মিটার রিডারদের চাকরি স্থায়ীকরণ সহ বিভিন্ন দাবিতে ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে শুরু থেকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা/কর্মচারীরা বিভিন্ন সময়ে কর্মবিরতি ও বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে আসছিলো। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় কমিটির প্রস্ততিকৃত প্রতিবেদেনের উপর আরইবি সমিতির প্রতিনিধি ও বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার উপস্থিতিতে জাতীয় কমিটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদন প্রস্তুত হলেও প্রায় তিন মাস গেলেও সেই মজা হলো না। ২৭ মার্চে ডিসি সম্মেলন আরইবি পবিস একীভূতকরণ এক ও অভিন্ন সার্ভিস কোড প্রণয়ন সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে বিদ্যুৎ বিভাগকে পত্র দেয়া হয় কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগ তা বাস্তবায়ন না করে উল্টো এ প্রস্তাব পুঃবিবেচনার জন্য মন্ত্রীপরিষদ বিভাগকে প্রস্তাব দেন। তাদের দাবি আন্দোলন চলাকালীন তাদের ৬ হাজার কর্মকর্তা কমর্চারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

এর প্রেক্ষিতে তাদের দাবি-দাওয়া পূরণের আশ্বাস দেওয়া হলেও তাদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বিভিন্ন কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা সহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করায় সমিতির কর্মকর্তা/কর্মচারীরা মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচি গ্রহণ করে।

উক্ত কর্মমসূচিতে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর কর্মকর্তা/কর্মচারীরা একাত্মতা পোষণ করায় সমিতির জিএম মোঃ খালেদুল ইসলাম তাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও আন্দোলনে যোগ না দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করায় তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ও চাকরিচ্যুতির দাবি করে কর্মবিরতি পালন ও সাংবাদিক সম্মেলন করে। সাংবাদিক সম্মেলন শেষে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে দুপুর ১২ ঘটিকায় যার যার মতো করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনাদেন। তবে কর্মবিরতি চলাকালীন জরুরি বিদ্যুৎ সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিগণ আন্দোলনে যোগ দেন নি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।