বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে ব্যবসায়িক সংযোগ জোরদার করা জরুরি বলে মনে করছেন ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী। এদিকে লিবিয়ার সমাজকল্যাণ উপমন্ত্রী প্রকৌশলী আলী এমহামেদ আল-নাধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ। সম্প্রতি হওয়া এ বৈঠকে লিবিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার রংপুরে ‘নেপাল-বাংলাদেশ সম্পর্ক : অগ্রসরমান অর্থনৈতিক সহযোগিতা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা, ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর উদ্যোক্তা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী তার বক্তব্যে বাণিজ্য, ট্রানজিট, জ্বালানি, সংযোগ, শিক্ষা এবং পর্যটনের মতো ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিস্তৃত সুযোগের ওপর জোর দেন। তিনি নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে রংপুরের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের অবদানের প্রশংসা করেন।

দূতাবাসের প্রথম সচিব অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্রগুলোর রূপরেখা দিয়ে বাণিজ্য, ট্রানজিট এবং সংযোগ, শক্তি এবং পর্যটনের উপর বিশেষ জোর দিয়ে একটি উপস্থাপনা করেছেন। তিনি এই খাতে এ পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতি তুলে ধরেন এবং আরও সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। লিবিয়ার উপমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: বৈঠকে রাষ্ট্রদূত উপমন্ত্রীকে বলেন, লিবিয়ায় বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী বৈধভাবে কর্মরত রয়েছেন এবং আকামা প্রক্রিয়ার সময় তারা নিয়মিতভাবে সামাজিক সুরক্ষা তহবিলে (সুন্দুক্ব-দমান-ইজতিমায়ি) অর্থ দিয়ে আসছেন। তবে সংশ্লিষ্ট তহবিলের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে তারা নানাবিধ জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে তিনি অবহিত করেন।