বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান ড. এম আসাদুজ্জামান ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাজশাহী উপশহরের ভাড়া বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

তিনি কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। শুক্রবার সকালে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। তবে তার আগেই তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। তার দুই সন্তানই আমেরিকায় থাকেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় সন্তানেরা দেশে ফেরার পর তার নিজ গ্রাম গোদাগাড়ী উপজেলায় দাফন করা হবে। তাঁর প্রথম জানাযা বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হয় বিএমডিএ’র কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে। ড. আসাদুজ্জামানের বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কেল্লাবারুইপাড়া মহল্লায়। ৮ ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ। তার বড় ভাই ড. এম এনামুল হক পুলিশের আইজি ছিলেন। আরেক ভাই সাবেক এমপি ও মন্ত্রী মরহুম ব্যারিস্টার আমিনুল হক। আরেক ভাই মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন বিএনপি চেয়ারপারসনের সামরিক উপদেষ্টা ছিলেন। গত বছর অক্টোবরে আসাদুজ্জামানকে বিএমডিএ’র চেয়ারম্যান হিসেবে পদায়ন করা হয়। এর আগে দুই মেয়াদে বিএমডিএ’র নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ২০০৭ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি বিশ্বব্যাংক, সিডা, ডিএফআইডি ও এডিবি-এর পরামর্শক হিসেবে আন্তর্জাতিক প্রকল্পে কাজ করেন এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সরাসরি অবদান রাখেন। তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি জাতীয় ও আন্তুর্জাতিক পর্যায়ে একাধিক সম্মাননা লাভ করেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তাঁর মাকে ‘রত্নগর্ভা’ পুরস্কার প্রদান করেন।