সিলেটের সীমান্তবর্তী কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় এক ট্রাক চালককে মারধরের ঘটনায় আধাঘণ্টা বন্ধ ছিল সিলেট-ভোলাগঞ্জ মহাসড়কে যান চলাচল।

গত মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত এ সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। এসময় রাস্তার দু’পাশে কয়েকশ’ গাড়ি আটকে পড়ে। পরে পুলিশ এসে রাস্তা থেকে ট্রাক সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

জানা যায়, উপজেলার শীলের ভাঙা রাস্তা দিয়ে একটি মালবাহী ট্রাক যাচ্ছিল। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সাথে হাল্কা ধাক্কা লাগে।

এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিত-া শুরু হয়। অটোরিকশার ড্রাইভারের সাথে শীলেরভাঙ্গা এলাকার আরো কয়েকজন যোগ দিয়ে ট্রাকের চালক ও হেলপারের সাথে মারামারিতে লিপ্ত হয়।

এতে ট্রাক চালকের মাথায় ও হেলপার পায়ে আঘাত পান। এর প্রতিবাদে টুকের বাজার এলাকায় সিলেট-ভোলাগঞ্জ মহাসড়কে ট্রাক ফেলে অবরোধ করেন ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন। পরে পুলিশের আশ্বাসে তারা রাস্তা থেকে ট্রাক সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কবির আহমদ জানান, আমাদের ২ জন সদস্যকে মারধর করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর প্রতিবাদে শ্রমিকরা রাস্তা অবরোধ করেছিল। আমরা খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হই। পরে পুলিশ অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে রাস্তায় যানচলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়।

এছাড়া একজন শ্রমিক থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সেটা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাসও দিয়েছে পুলিশ।

মানিকগঞ্জে প্রায় অর্ধশত মোটরসাইকেল জব্দ

মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা : মানিকগঞ্জ শহরে যানজট কমিয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে যত্রতত্র পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। সোমবার শেষ বিকেলে শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জেলা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. আব্দুল হামিদ এতে নেতৃত্ব দেন। অভিযানে রাস্তার ওপর অবৈধভাবে রাখা প্রায় অর্ধশত মোটরসাইকেল শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। পরে এসব মোটরসাইকেলের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। যাদের কাগজ ঠিক ছিল, তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ পার্কিং ও সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরির মামলা করা হয়। যাদের কাগজপত্র সঠিক পাওয়া যায়নি, সে সব মোটরসাইকেল জব্দ করে ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয়।

শহরের অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা মার্কেটে যানবাহনের পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় ক্রেতারা ইচ্ছেমতো রাস্তায় গাড়ি রেখে মার্কেটে যান ফলে সড়কে যানজট ও জনদুর্ভোগ তৈরি হয়। তবে হঠাৎ করে যানজট নিরশনের কথা বলে শুধুমাত্র মোটরসাইকেলের উপর চাপ প্রয়োগ, জরিমানা আদায় করা ভুক্তভোগেী অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুল হামিদ বলেন, ‘রাস্তার উপর গাড়ি রেখে অনেক মালিক পাশে থাকেন না। এতে চলাচলে সমস্যা হয়। তাই বাধ্য হয়েই এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের এই অভিযান চলমান থাকবে’।