গবেষণা ও প্রকাশনার জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃত গবেষণা মূল্যায়ন সংস্থা নেচার ইনডেক্স-এর ২০২৪ সালের তথ্যানুযায়ী খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) দেশের সেরা ১০টি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮ম স্থান অর্জন করেছে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি সময়কালের গবেষণা কার্যক্রমের ভিত্তিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক অবস্থান ৪৬৬০তম এবং একাডেমিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বের মধ্যে অবস্থান ২৫৭৮তম। এছাড়াও সাইমাগো ইনস্টিটিউশন র‌্যাংকিংস (এসআইআর)-এ বিশ্ববিদ্যালয়টি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, যা গবেষণার প্রভাব ও উদ্ভাবনী দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রকাশিত তথ্যমতে, রসায়ন বিষয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের মধ্যে অষ্টম এবং বিশ্বে ২৭৫৭তম অবস্থানে রয়েছে। ভৌত বিজ্ঞানে বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের মধ্যে তৃতীয় এবং বিশ্বে অবস্থান ২৩৯৬তম। এই সময়কালে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জার্নালে তিনটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ‘অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্স লেটারস’ নামক জার্নালে দুটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে, যার যৌথ শেয়ার (ফ্র্যাকশনাল কন্ট্রিবিউশন) ০.৩৫। অন্যদিকে ‘কেমিক্যাল সায়েন্স’ নামক জার্নালে একটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে, যার শেয়ার ০.০৭। সব মিলিয়ে মোট শেয়ার দাঁড়িয়েছে ০.৪২।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সাফল্যের জন্য সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গণমাধ্যমকে খুবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, “এই অর্জন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার ধারাবাহিকতা ও মান নিশ্চিত করার প্রমাণ। এ অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা গবেষণা কাজে আরো উৎসাহী হবে। গবেষণা সংস্কৃতি গড়ে তুলতেই আমরা কাজ করছি। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অবদান রাখতে চাই।”

উল্লেখ্য, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বিগত কয়েক বছর ধরে গবেষণার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে অবস্থান উন্নয়নের লক্ষ্যে ধারাবাহিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এবারের অর্জন সেই প্রচেষ্টারই একটি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল।

মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদার : আসন্ন ঈদ-উল-আযহা’কে সামনে রেখে মহাসড়কে যাত্রীসেবা নিশ্চিতকরণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সার্বিক নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৬। মহাসড়কে চেকপোস্ট স্থাপন, নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে যাতে ডাকাতি, ছিনতাইসহ যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিরোধ করা যায়। তাছাড়া, র‌্যাব-৬ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকাধীন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, মলম পার্টি, অজ্ঞান পার্টিসহ যে কোন ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত চেকপোষ্ট ও বিশেষ টহল পরিচালনা করা অব্যাহত থাকবে। এরই অংশ হিসেবে র‌্যাব-৬ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। র‌্যাব-৬ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত চেকপোস্ট ও টহলের পাশাপাশি রোবাস্ট পেট্রোলিং পরিচালনা করা হচ্ছে। দায়িত্বপূর্ণ জেলাসমূহে ২৯ মে রাত ১০টা হতে ভোর রাত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা বিশেষ করে মহাসড়কসমূহে বিশেষ নিরাপত্তামূলক চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। তাছাড়া, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক কমান্ডার মুহাম্মদ শাহাদত হোসেন, জিএনপিপি, বিএন বলেন, “র‌্যাব-৬ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় হাইওয়েতে ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সাধারণ চেকপোস্টের পাশাপাশি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং রোবাস্ট পেট্রোলিং পরিচালনা করা হচ্ছে।” সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় র‌্যাব-৬ সদা প্রস্তুত রয়েছে।