নান্দাইল (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা: ময়মনসিংহের নান্দাইলে এক স্কুল প্রধান শিক্ষকের একি কান্ড! যা রীতিমতো আর্শ্চযের বিষয়। একজন মানুষ গড়ার কারিগর হয়েও নিরীহ এক বিধবা মহিলার ক্ষেতের ফসল কেঁটে বিনষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে স্কুল শিক্ষক রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে। তিনি নান্দাইল উপজেলার চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চর উত্তরবন্দ গ্রামের মৃত রোপ্তন আলীর পুত্র। স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে বিধবা মহিলা রোকেয়া খাতুন সম্পর্কে শিক্ষকের ভাই বৌ। তবে অভিযোগ, শিক্ষক রুহুল আমিন সম্পত্তি কম পাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে ওই বিধবা মহিলার স্বত্ব দখলীয় জমিতে রোপন করা ধানের চারা গাছ কেটে ফসল বিনষ্ট করেছে। শুধু তাই নয়, এরপূর্বেও একাধিকবার বিধবার জমিতে আবাদকৃত লাউ, করলা সহ অন্যান্য ফসল বিনষ্ট করেছে বলে জানিয়েছেন রোকেয়া খাতুন। কিš‘ এসব কথা অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক রহুল আমিন জানান, তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তির বন্টনে তাকে ঠকানো হয়েছে। এ বিষয়ে একাধিকবার দরবার-সালিশ হলেও এর কোন সুরাহা হয়নি। সম্প্রতি রোকেয়া খাতুন বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা কলিল মিয়া, কুলসুম আক্তার, হেলিম উদ্দিন, কাজল মিয়া, মোসলেম উদ্দিন সহ আরও অনেকেই জানান, রহুল আমিন মাস্টার তাঁর আপন ভাইদের সাথে জমিসংক্রান্ত বিরোধ আছে। তবে একজন মানুষ গড়ার কারিগর হয়ে, অমানুষের মতো কাজ করেছেন। জমির ভাগ থাকলে অবশ্যই তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতেন, তবে ফসল বিনষ্ট করা তা ঠিক হয়নি।
রোকেয়া খাতুন বলেন, “রুহুল আমিন মাস্টার যদি ভালোই হতো, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে কেন ? আমার স্বামী মারা যাওয়ায় জোরপূর্বক জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন মাস্টার এ অভিযোগের কথা অস্বীকার করে বলেন, তাঁকে পৈত্রিক সম্পত্তিতে ঠঁকানো হয়েছে। এছাড়া ওই জমির বিষয়ে তিনি জিডি করেছেন।