নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে কলতাপাড়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার নবনিযুক্ত সভাপতি ও জামায়াত নেতা ড. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে ড. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা, বিব্রতকর অনঅভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে দাবি করেছেন তিনি।
১১ই জুন (বুধবার) জামায়াতের উপজেলা অফিসে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কলতাপাড়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার সম্মানিত প্রিন্সিপালের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ মে ২০২৫ তারিখে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় যাদেরকে নিয়ে কাজ করতে চায় তাদেরকে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। উক্ত নিয়োগে আমি ডক্টর ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া, পিতা - মোঃ হাবিবুর রহমানকে মাদ্রাসার সভাপতি ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে বিদ্যুৎসাহী হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে কিন্তু কিছু দুষ্কৃতিকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের বিরুদ্ধে গিয়ে একটি মানববন্ধন করেছে যা আমি যোগাযোগ মাধ্যমে লক্ষ্য করেছি। এটি তাদের অনঅভিপ্রেত, অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনাধিকার চর্চা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন বলে আমি মনে করি। যারা আইনের প্রতি অশ্রদ্ধাশীল তারা আমার বিরুদ্ধে বেআইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি হিসেবে ও মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে আমি খুবই বিব্রত হয়েছি ও আমার মানহানি হয়েছে। যারা আমার মানহানি করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব। তিনি আরো উল্লেখ করেন, কলতাপাড়া মাদ্রাসাটি সোনারগাঁও উপজেলায় একটি অবহেলিত মাদ্রাসা। ৫ আগস্টের পূর্বে যারা মাদ্রাসাটিকে পরিচালনা করেছেন তারা মাদ্রাসাটিকে একেবারে নিম্নমানের মাদ্রাসাতে রূপান্তরিত করেছেন। আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন বিদ্যুৎ বিল প্রদানের মত টাকাও মাদ্রাসার একাউন্টে জমা নেই। সেই মাদ্রাসাটিকে ৫ আগস্টের পর শিক্ষক, অভিভাবক ও সুধী জনদের সাথে কথা বলে দায়িত্ব নিয়েছি। মাদ্রাসাটি ইতোমধ্যে প্রথমবারের মত আলিম পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে মাদ্রাসা বোর্ড অনুমোদন দিয়েছে। মাদ্রাসাটিতে আলিম বিজ্ঞান বিভাগ এবং কামিল পর্যায়ে উন্নতি করার জন্য ইতোমধ্যে আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি উপস্থিত থেকে আবেদন করেছি। তারা আশ্বাস দিয়েছে ও আমরা আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে মাদ্রাসাটিতে আলিম বিজ্ঞান বিভাগ চালু হবে ও কামিল পর্যায়ে উন্নতি করা হবে।