খোকসা (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা : কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের পুকুর থেকে এক যুবতীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শহরজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের চোখে পড়লে খবর পেয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রথমে অজ্ঞাত বলে ধারণা করা হলেও, পরে নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

সম্প্রতি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের বড় পুকুরে এক নারীর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কুষ্টিয়া মডেল থানার একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বাটন মোবাইল ফোন ও এক জোড়া স্যান্ডেল উদ্ধার করেছে, যা নিহতের সঙ্গে পাওয়া যায়।

তদন্তে পরবর্তীতে জানা যায়, নিহত নারীর নাম অনন্যা ইসলাম সুমি ওরফে জুথি (৩৩)। তার পিতার নাম মৃত নুরুল ইসলাম বাচ্চু। তিনি কুষ্টিয়া শহরের পিয়ারাতলা লুৎফুল হক লেন এলাকার ২১/১ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি তিনি কিছু পারিবারিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন, তবে তিনি এলাকায় শান্ত-স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

ঘটনার পর থেকেই হাসপাতাল এলাকা ও আশপাশে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা চলছে। কেউ মনে করছেন এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা, আবার কেউ ধারণা করছেন এটি পরিকল্পিত হত্যাকা- হতে পারে। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, শুক্রবার রাতে পুকুরপাড়ে অস্বাভাবিক কিছু শব্দ শোনা গিয়েছিল, তবে তখন সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল আজিজ বলেন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।