এস,এম মোস্তাফিজুর রহমান : সাতক্ষীরার আশাশুনি মোটরসাইকেল গ্যারেজ থেকে আমিনের মোড় পর্যন্ত এলজিইডি’র পিচের রাস্তা ভেঙ্গে বড়-বড় আকৃতির কয়েকটি গর্ত তৈরি হয়েছে। এতে যানবাহন উল্টে গর্তে পড়ে যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,রাশেদ হোসেন খোকার রাইস মিলের সামনে সড়কটিতে তৈরি হয়েছে বড় আকৃতির কয়েকটি গর্ত। এটি আশাশুনি উপজেলার চলাচলের একটি মেইন সড়ক। এই সড়ক দিয়ে সাতক্ষীরা হতে কোলা ও সাতক্ষীরা হতে বড়দলে যাত্রীবাহী বাস এবং মালবাহী ট্রাক চলাচল করে থাকে।

এছাড়া এই রাস্তার পাশে সোনালী ব্যাংক ও সেটেলমেন্ট অফিস রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই রাস্তার পাশে একটি জামে মসজিদ রয়েছে। মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে গেলে এই রাস্তার অপরিষ্কার পানিতে ভিজে পুড়ে যেতে হয় নামাজ আদায় করতে।

আশাশুনি বাজার কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন প্রিন্স ও সড়কের পাশে চা ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান(বাবু) বলেন, গত তিন বছর ধরে এই রাস্তার পিচ উঠে বড়-বড় গর্ত হয়ে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে করে রাস্তা দিয়ে ইজিবাইক,ভ্যান,মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল সহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে খুবই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

যেকোনো মুহূর্তেই বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্ক রয়েছে । রাস্তাটি বড়দল কোলা,কালীগঞ্জ,শ্যামনগর ও দেবহাটার সংযোগ স্থল রাস্তা। আশাশুনি বাজার বণিক সমিতির সহ-সভাপতি বিল্লাল হোসেন বলেন, পাইকগাছা, কয়রা, প্রতাপনগর ও শ্রীউলা এবং শ্যামনগর, কালীগঞ্জ, দেবহাটার বড়-বড় ব্যবসায়ীদের মালবাহী ট্রাক চলাচল করে।

আমরা উপজেলা এলজিডি’র কর্মকর্তাকে বারবার বলেছি ওনারা কয়েকবার মেপে গিয়েছে কিন্তু রাস্তা সংস্কারের কোন কার্যক্রম দেখিনি। যদি আপাতত কিছু ইটের খোয়া দিয়ে রাস্তাটি সমান করে দিত তাহলে দুর্ঘটনার হাত থেকে আমরা রেহাই পেতাম। আশাশুনি সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার শ্রী নরেশ কুমার মন্ডল ও সেটেলমেন্ট অফিসের অফিস সহকারি তাহাজ্জত হোসেন জানান,ব্যাংকে ও সেটেলমেন্ট অফিসে সেবা নিতে আসা গ্রাহকের খুবই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অনিন্দ্য দেব বলেন, এস্টিমেট করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে আমি অফিসের লোক পাঠাচ্ছি মাফ জরিপ করার জন্য। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান। সড়কটি দ্রুত মেরামত করে সুন্দরভাবে চলাচলের উপযোগী করার জন্য দাবি জানিয়েছেন সচেতন এলাকাবাসী।