গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুন্দরবনের নলিয়ান এলাকা থেকে ১০৬ কেজি হরিণের মাংস ও ফাঁদসহ এক হরিণ শিকারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের সদস্যরা। শনিবার (২৫ অক্টোবর) ভোরে বিশেষ এ অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক শনিবার বিকেলে সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, “ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ভোর ৪টার দিকে কোস্টগার্ড আউটপোস্ট নলিয়ান থেকে একটি অভিযানিক দল সুন্দরবন সংলগ্ন খুলনার দাকোপ থানাধীন নলিয়ান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ১০৬ কেজি হরিণের মাংস, প্রায় ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের হরিণ শিকারের ফাঁদ এবং একজন সন্দেহভাজন শিকারিকে আটক করা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “আটককৃত ব্যক্তি, জব্দকৃত মাংস ও ফাঁদের বিষয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের অধীনে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বন্যপ্রাণী হত্যা, অবৈধ শিকার ও পাচার রোধে কোস্টগার্ডের নিয়মিত তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনের জীববৈচিত্রজ্র্য রক্ষায় তারা নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে যাতে বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচারের মতো অপরাধ কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা যায়।

গুইমারায় মরহুম রুবেলের এতিম বাচ্চাদের পাশে থাকার ঘোষণা জামায়াত নেতার

গুইমারা উপজেলার রেনুছড়ার বাসিন্দা ভাড়ায় চালিত হাইজ চালক মরহুম রুবেল হোসেনের জানাজা-দাফনে অংশগ্রহণ ও মরহুমের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে মরহুমের বাসায় ছুটে যান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অন্যতম সদস্য ও খাগড়াছড়ি পার্বত্যজেলা শাখার সম্মানিত আমীর অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন।

২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার গুইমারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মাঠে অনুষ্ঠিত মরহুমের জানাযায় অংশগ্রহণ শেষে মরহুমের পরিবারকে শান্তনা দিতে রেনু ছড়াস্থ বাসায় ছুটে যান তিনি। এসময় পরিবারের সদস্যদের শান্তনা দিয়ে গভীর সমবেদনা জানান তিনি।

পরিবারের সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি বলেন, মানুষ মরণশীল। জন্মগ্রহণ করলেই মৃত্যুবরণ করতে হবে। মর্মান্তিক দূর্ঘটনায় রুবেলের ইন্তিকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আল্লাহ তার উপর রহম করুক। তার পরিবারকে ধৈর্য্য ধারণ করার তাওফিক দিক। এসময় মরহুমের বাচ্চাদের পড়াশোনাসহ যে কোন প্রয়োজনে জামায়াতে ইসলামী পাশে থাকবে বলে জানান জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমিন।

এসময় খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আবু আহমেদ, গুইমারা উপজেলা আমীর রফিকুল ইসলাম, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আবু বকর ছিদ্দিক, গুইমারা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাজিদুর রহমান, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মইন উদ্দিন, উপজেলা জামায়াতের বায়তুলমাল সম্পাদক মুজাহিদুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা সম্পাদক ডাক্তার ওমর ফারুক, যুব বিভাগের সভাপতি আব্দুল আজিজ, জামায়াত নেতা আমিনুল ইসলাম, আবুল হোসেন বাবু, সাইফুল ইসলামসহ উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ এবং মরহুমের পরিবারের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।