সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা : সুন্দরগঞ্জে ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছে বোরো চাষীরা উপজেলা সর্বত্রই ৯ দিন ধরে ও থেমে থেমে বৃষ্টির বড় খেতে পানি জমেছে। দোলা জমি গুলোতে বেশি পানি আটকে যাওয়ায় ধানগাছ পানিতে নুইয়ে পড়েছে। নিয়ে পড়া ক্ষেতের শীষে গাছ বেরিয়েছে বলে জানা গেছে। অতি বৃষ্টির কারণে পাকা ধান বাড়িতেও আনতে পারছে না। যারা ধান কেটে বাড়িতে তুলেছে উঠানে পানি ও কাদা জমে থাকায় মাড়াই করতে পারছে না। ফলে বাড়িতেও শিষে গাছ বেরোচ্ছে।
অনেকে চাল করার জন্য ধান ভাপিয়েছে রোদের অভাবে সেসব ধান রোদের অভাবে ধান শুকাতে পারছে না। এতে ধানে গ্যাসের সৃষ্টি হয়েছে, এসব চাল খাদ্যের জন্য অনুপযোগী হতে পারে। অপরদিকে এলাকায় শ্রমিক সংকটে ধান কাটা মাড়াই বিলম্বিত হচ্ছে। প্রান্তিক চাষী আব্দুর রশিদ বলেন এই পেশার অনেক শ্রমিক এখন রিকশা, ভ্যান, বাইক ও অটো চালাচ্ছে। তারা এই পেশায় এখন বিভিন্ন শহরে অবস্থান করছে ফলে এলাকায় শ্রমিক সংকট হওয়ায় প্রতি বিঘা জমির ধান কাটা মাড়াই করা পাঁচ থেকে ছয় হাজার দিতে হচ্ছে। মোটর সেচ খরচ ৩হাজার ,চারা রোপণে ১৭/১৮শ,হালচাষ বাবদ ১৩২০,খেতে আগাছা উঠানো ২০০০,কীটনাশক ও ছত্রাক প্রয়োগে ১৫শ।জরমনদী গ্রামের কৃষক আব্দুল খালেক বলেন ১বিঘা বোরো ধান উৎপাদনের খরচ হয় ১৬হাজার।অপরদিকে বর্তমান বাজারে এক মণ ধান ৮০০/৮৫০ মুল্যে বেচা-কেনা হচ্ছে।এক জরিপে দেখা যায় প্রতি মণ উৎপাদিত ধানের মূল্যের চেয়ে খরচ অনেক বেশি। তাই আগামীতে বোরো চাষীরা ধান উৎপাদনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলার আশংকা করছে বলে অনেকের ধারণা।