বিরামপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা : আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় বিরামপুরে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। , সার, কীটনাশক ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকায় প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ১০ হতে ১১ হাজার টাকা। উৎপাদন বিঘা প্রতি ১০ থেকে ১২ মন। বাজারে পাটের দাম বেশী থাকায় পাট চাষিদের মুখে হাসির ঝিলিক ফুটে উঠেছে । সরে জমিনে দেখা গেছে পাট কাটা, পাট জাগ দেয়া, আঁশ ছাড়া ও শুকাতে দারুন ব্যাস্ত সময় পার করছে চাষিরা। বিরামপুর হাটে পাট বিক্রি হচ্ছে মান ভেদে প্রতি মন ৩ হাজার ৫ শত টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। পাটের ফলন ও ভালো দাম পেয়ে চাষিদের মুখে ফুটে উঠেছে স্বপ্ন পুরনের হাসি। উপজেলার দক্ষিণ দাউদপুর ও বাসুপাড়া গ্রামের পাট চাষী মিজানুর রহমান ও ওয়াহিদুল ইসলাম জানান, পাটের পাশাপাশি পাট খড়ির চাহিদা থাকায় পাট খড়ি বিক্রি করে পাট চাষের খরচ উঠে যায়। বিরামপুর কৃষি কর্মকর্তা জানান, এ বছর বিরামপুর উপজেলায় মোট ১ শত ৮১ হেক্টরে জমিতে উৎপাদন হয়েছে ৪ শত ৩১ মেট্রিক টন পাট। কৃষি ভুতুর্কী ও সরকারী প্রনোদনা কৃষকদের মাঝে দেওয়ায় কৃষকেরা বেশী উদ্বুদ্ধ হয়েছে এবং কৃষকেদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ প্রশিক্ষণ ও মাঠ পষ্যায় দেখা শুনা করায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে।

বাংলাদেশর এক কালের প্রধান অর্থকরী ফলন সোঁনালী আঁশ হিসেবে পরিচিত পাট কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছিল। বর্তমানে পাটের বহুমুখী ব্যবহার এবং বিভিন্ন স্থানে জুটমিল প্রতিষ্ঠিত ও চালু হওয়ায় পাটের বাজার মুল্য বৃদ্ধি প্ওায়ায় সোঁনালী আঁশ বাংলার ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে নুতন ভাবে পাট চাষে কৃষকদের আগ্রহ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলন্য়া পাটের চাহিদা ও মূল্য বৃদ্ধির কারণে আগামী দিনের সোঁনালী স্বপ্ন নিয়ে এবার অধিক পরিমাণ জমিতে পাট চাষের আওতায় এনেছে পাট চাষীরা।