সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা: সময়মত খাবার না দেয়া এবং পরিমাণে কম দেয়ার মত অব্যবস্থাপনা চলছে নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রোগীদের দুপুরের খাবার বেলা ১২ টার পরিবর্তে দেয়া হয়েছে বেলা সাড়ে ৩ টায়। ফলে দীর্ঘ সময় খাবার না পেয়ে রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। বাধ্য হয়ে অনেক রোগী বাইরে থেকে খাবার কিনে খেয়েছে।

এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীঘ ২ যুগ থেকে ঠিকাদারের দায়িত্বে থাকায় এই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। হাসিনা সরকারের পতনের পর পালিয়ে থেকেও লোক নিয়োগ করে আগের মতই দূর্নীতি অনিয়ম অব্যাহত রেখেছেন হাসপাতালে । যার খেসারত দিতে হচ্ছে চিকিৎসা নিতে আসা অসহায় দরিদ্র মানুষদের। দিনের পর দিন এই দূরাবস্থা চললেও নির্বিকার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

বেলা ৩ টাতেও রোগীদের দুপুরের খাবার দেয়া হয়নি খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ কর্মীরা হাসপাতালে গেলে দেখা যায়, বাবুর্চি তখনও মুরগীর মাংস কাটছে। মাংসের পরিমাণ বরাদ্দের চেয়ে কম অর্থাৎ ৯ কেজি। আর চুলায় ভাত ও ডাল রান্না করা হচ্ছে। এসময় বাবুর্চি জানায়, প্রতিদিন ঠিক সময়ই খাবার রান্না হয়, কিন্তু আজ ঠিকাদার বাজার এনে দিয়েছে দেরিতে। তাই কেবল চুলা ধরানো হয়েছে।

উপস্থিত ঠিকাদারের প্রতিনিধি বাদশা বলেন, মূলত: ঠিকাদার হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন ও কাজল। তাদের অনুপস্থিতিতে আমার ছেলে বাবুল মালামাল সরবরাহ করে। কিন্তু সে অসুস্থ তাই আমি বাজার নিয়ে এসেছি। এজন্য লেট হয়েছে। এরপর তিনি ঠিকাদার মহসিনকে মোবাইল করেন কিন্তু সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।