মিয়া হোসেন : আর মাত্র সপ্তাহখানেক পরই শুরু হচ্ছে পবিত্র রমযান। পবিত্র রমযান মাসে সব ধরনের নিত্যপণ্যের চাহিদা কিছুটা বাড়ে। এই সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার আশায় বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা শুরু করেন। ইতোমধ্যে সবজিসহ মাছ-গোশতের দাম বাড়তে শুরু করেছে। রমযানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার চ্যালেঞ্জে রয়েছে। ইতোমধ্যে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আমদানীতে শুল্ক প্রত্যাহারসহ বেশকিছু পদক্ষেপ রয়েছে। কিন্তু একশ্রেণীর ব্যবসায়ীদের কারসাজি কোন অবস্থাতেই কমছে না। তবে সরকার কঠোর হাতে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করলে দ্রব্যমূল্য নাগালের মধ্যে থাকবে বলে মনে করছে ভোক্তারা।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, সবজিসহ মাছ-গোশতের দাম বেড়েছে। প্রতিকেজিতে প্রায় ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এদিকে ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছেÑ নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে, সরবরাহে সংকট নেই। এমনকি কোনও পণ্যেরই দাম বাড়বে না বলেও আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বাজারে বেশকিছু পণ্যের দাম বেড়েই যাচ্ছে। এগুলোর মধ্যে আবার বৃদ্ধি পেয়েছে সব ধরনের চালের দাম। সরকার চাল আমদানির জন্য সিদ্ধান্ত নিলেও এর সুফল রমযানে নাও পাওয়া যেতে পারে।
গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও শীত ও গ্রীষ্মকালীন সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। এসব বাজারে সিম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৩০ থেকে ৫০ টাকা, বড় আকারের ফুলকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস, বাঁধা কপি বড় সাইজের ২০ থেকে ৩০ টাকা পিস, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পাকা টমেটো কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা, গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মুলা কেজি ২০ টাকা, মটরশুঁটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, খিরাই ৫০ টাকা এবং শসা ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকায়, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ধুন্দুল ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, কচুর মুখী ১০০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঝিঙ্গা এবং কাঁচামরিচ ৪০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে লেবুর হালি ৩০ থেকে ৫০ টাকা, ধনে পাতা ১৪০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস এবং মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল শাক ১০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, মূলা শাক ১০ টাকা, পালং শাক ১০ টাকা, কলমি শাক তিন আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৫০ টাকা এবং ডাটা শাক ২০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। বাজারে আলু ও পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। নতুন আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বগুড়ার লাল আলু ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি পুরাতন পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
আদা ১৪০ থেকে ২৮০ টাকা, রসুন ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, খেসারির ডাল ১৩০ টাকা, মিনি কেট চাল ৭৮ থেকে ৮৬ টাকা এবং নাজির শাল ৭৬ থেকে ৮৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে সোনালি কক মুরগি ৩৩০ টাকায় এবং সোনালি হাইব্রিড ৩১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগী ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগী ২০০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৬০ টাকা করে দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে চলতি সপ্তাহে মাছের বাজার চড়া রয়েছে। এসব বাজারে ৫০০ গ্রামের ইলিশ ১১০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ১৭০০ টাকা, এক কেজি ওজনের ২০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা , মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২৩০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ১২০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ টাকায়, কৈ মাছ ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকায়, পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকায়, রুপচাঁদা ১২০০ টাকা, বড় বাইম মাছ ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, দেশি কই ১২০০ টাকা, সোল মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বেলে মাছ ৮০০ টাকা, কুড়াল মাছ ৭০০ টাকা, কাজলি মাছ ৮০০ টাকা এবং কাইকলা মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে গরুর গোশতের কেজি প্রতি ৬৫০ থেকে ৭৮০ টাকা, গরুর কলিজা ৭৮০ টাকা, গরুর মাথার গোশত ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং খাসির গোশত কেজি প্রতি ১১৫০-১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২২০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সাধারণত প্রতিবছর রমযান মাসকে সামনে রেখে চাল, গম, ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, ছোলা, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, শুকনো মরিচ, ডিম, খেজুরসহ নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও মূল্য তদারকিতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে। এবছরও রমযান মাসে যাতে নিত্যপণ্যের বাজার কোনও প্রকার অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যদিও বাজার সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিবছরই নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে এর প্রভাব বাজারে খুব একটা পড়ে না। তারা বলছেন, বাজারের অসাধু সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে এবারের রোজাতেও অস্থির হয়ে উঠবে নিত্যপণ্যের বাজার।
রমযান মাসে ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাল, গম, ডাল, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল, চিনি, ডিম, ছোলা, মটর, মসলা, খেজুরসহ ১১টি পণ্যে শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণপত্র খোলায় মার্জিন কমানোর নির্দেশনা দিয়েছে। বিশ্ববাজারেও বেশ কিছু ভোগ্যপণ্যের দাম এখন কম। তারপরও চাহিদামতো পণ্য আসছে না। এ অবস্থায় প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর সরবরাহ পর্যাপ্ত না থাকলে রয়েছে দাম বাড়ার শঙ্কা। এর ওপর রয়েছে অসাধু ব্যবসায়ীদের অধিক মুনাফা লাভের অপচেষ্টা। এছাড়াও বাজার ও সড়কে চাঁদাবাজি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। এসব ক্ষেত্রের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে না পারলে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের দেওয়া সুবিধা সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছাবে না। তাই সড়ক ও বাজারের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, ১৭টি ভোগ্যপণ্যকে নিত্যপ্রয়োজনীয় মনে করা হলেও রমযানকে সামনে রেখে আপাতত ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, পেঁয়াজ, ছোলা ও খেজুরের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই টিসিবি এসব পণ্য নিয়ে ভ্রাম্যমাণ বাজার শুরু করেছে। অনলাইন মার্কেটেও কিছু পণ্য বিক্রি হতে পারে। এ বছর আমদানি প্রক্রিয়ায় বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।
টিসিবি জানিয়েছে, নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে সরকারের ১০টি সংস্থা মাঠে থাকবে। সড়ক ও বাজারে চাঁদাবাজি রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাও যুক্ত থাকবে। থাকবে র্যাব পুলিশের নিয়মিত টহলদারি। বাজার মনিটরিং কার্যক্রমে যুক্ত থাকবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি), খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত নিরাপদ খাদ্য অধিদফতর, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি বিপণন অধিদফতর এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত বিএসটিআইয়ের একাধিক টিম। এরসঙ্গে যুক্ত হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ১৪ জন উপসচিবের নেতৃত্বে ১৪টি মনিটরিং টিম। এ টিম দৈনন্দিন বাজার মনিটরিং করবে। পর্যবেক্ষণ করবে মজুদ, সরবরাহ ও মুল্য পরিস্থিতি। প্রতি জেলায় থাকবে জেলা প্রশাসক ডিসি ও উপজেলায় থাকবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা’র নেতৃত্বে বাজার তদারকি টিম। এসব টিমকে সার্বিক সহায়তা করবে পুলিশ সুপার এসপি ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পুরো বিষয়টি দেখভাল করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন জানিয়েছেন, রমযান মাসে বাজার স্বাভাবিক রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে সবধরনের কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। রমযান উপলক্ষ্যে নিত্যপণ্যের বাজারে সবধরনের পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তাই দাম বাড়ার কোনও সুযোগ নেই’।
রোজায় ৯ পণ্যের আমদানি বেড়েছে
পবিত্র রমযান ও ঈদে চাহিদা বেশি থাকে এমন ৯টি ভোগ্যপণ্যের আমদানি ব্যাপক হারে বেড়েছে।
পণ্যগুলো হলো- চিনি, সয়াবিন তেল, ডাল, মটর, ছোলা, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, খেজুর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন বলছে, চলতি অর্থবছরের অক্টোবর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত এসব পণ্যের আমদানিতে গড়ে ৩৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এর মধ্যে ছোলা ও মটর ডালের সর্বোচ্চ আমদানি হয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক ও পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে সহায়ক হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নগদ মার্জিনের হার নির্ধারণ ও বিলম্বে আমদানি বিল পরিশোধের সুযোগ দেওয়ায় রোজার আগে এসব পণ্যের আমদানিতে আগ্রহ বেড়েছে ব্যবসায়ীদের।
জানা যায়, গত ১১ নভেম্বর এই ৯টিসহ ১১ ধরনের ভোগ্যপণ্য আমদানিতে বিলম্বে বিল পরিশোধের অনুমতি দিয়ে সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। রমজানের আগে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা ও সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে আমদানির ক্ষেত্রে লেনদেন সহজ করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত এ সুবিধা বহাল থাকবে। এর আগে এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নগদ মার্জিনের হার নির্ধারণের সুযোগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ৬ নভেম্বর এ সংক্রান্ত সার্কুলারে বলা হয়, ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে শূন্য মার্জিনেও এসব পণ্যের এলসি করা যাবে। এসব পদক্ষেপে সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলোর আমদানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, চার মাসে চিনি আমদানি হয়েছে ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৩৪ মেট্রিকটন। এটি আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি। এসময়ে সয়াবিন তেলের আমদানি ৩৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৯৮ হাজার ২৫২ মেট্রিকটন। ডাল জাতীয় পণ্যের আমদানি ৪৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৩৭ মেট্রিকটন। ছোলা আমদানি হয়েছে ৯৭ হাজার ৫৫৫ মেট্রিকটন, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৬৪ শতাংশ বেশি। খেজুরের আমদানি ২৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১৪ হাজার ৪২০ মেট্রিকটন।
আলোচ্য সময়ে সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ আমদানি বেড়েছে মটর ডালের। এসময়ে পণ্যটির আমদানি হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৮৪৫ মেট্রিকটন। দেশে পর্যাপ্ত পেয়াজ উৎপাদন হওয়ার পরও এই চার মাসে পণ্যটির আমদানি ২ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৮০ হাজার ৬১১ মেট্রিকটন। এসময়ে রসুনের আমদানি ২০ শতাংশ বেড়েছে। পণ্যটির আমদানি হয়েছে ৬১ হাজার ৩৮১ মেট্রিকটন। আদার আমদানি ৫৬ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৫২ হাজার ৫১৫ মেট্রিকটন।