পতিত স্বৈরাচার ও তার দোসরসহ সকল গণহত্যাকারীর বিচারে কোন ছাড় দেয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ার পার্সনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন। লন্ডনে বৃটিশ অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নির্বাচন ও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে কি-নোট স্পিকার হিসেবে যোগ দিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

লর্ড এলেক্স কার্লাইল কেসি সিবিই’র সভাপতিত্বে বৃটিশ পার্লামেন্টের হাউস অফ কমন্সের কমিউনিটি হল রুমে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে নিজস্ব মতামত তুলে ধরতে অংশগ্রহণ করেছিলেন বৃটিশ এমপিসহ বৃটিশ বাংলাদেশী নানা শ্রেণী পেশার বিশ্লেষকরা।

ডাক্তার জাহিদ তার বক্তব্যে আগামীর প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দ্রুত সুস্পষ্ট নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে নিরলস পরিশ্রম করেছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ১৯ দফার মাধ্যমে জাতির গণতান্ত্রিক মুক্তি নিশ্চিত করেছিলেন। একই ধারাবাহিকতায় মাদার অফ ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া দেশের জন্য কাজ করে গেছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। ৩১ দফার মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে আগামীর জন্য একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের সকল সংকট নিরসনে একটি অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটি নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচনের একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবি করছি।

সেমিনারে উপস্থিত বক্তা যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিক বলেন, জনগণের জন্য একটি গণতান্ত্রিক সরকার ফিরিয়ে আনতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় বিএনপি। তবে নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আমরা সবাই সহযোগিতা করতে চাই। সেমিনারে বৃটিশ সাবেক এমপি সাইমন ডানসাক বলেন , আমরা অবগত যে বিগত দিনগুলোতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ছিল ভঙ্গুর , ৫ই আগস্টের পর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের জন্য নতুন করে আশা সঞ্চার হয়েছে তবে এর জন্য দরকার দ্রুত একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন। আমরা আশা করবো বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে রিস্টোর করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাতে দ্রুত একটি নির্বাচনের আয়োজন করে।