স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের গবেষণা উইং সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) নামে ব্যাংকে ৩৫ কোটি ২১ লাখ টাকার এফডিআরের সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, ''আইএফআইসি ব্যাংকে সিআরআই নামক প্রতিষ্ঠানটির নামীয় একটি ৩৫ কোটি ২১ লক্ষ টাকার এফডিআর রয়েছে। এছাড়া সোনালী ব্যাংকে লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গিয়েছে। অভিযানকালে সংগৃহীত নথিপত্র এবং ব্যাংক হিসাবসমূহের লেনদেনের তথ্য বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করবে এনফোর্সমেন্ট টিম।''
গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সিআরআইয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান । এছাড়া মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল এর ভাইস চেয়ারম্যান। আর হাসিনার বোন শেখ রেহেনার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি সিআরআইয়ের ট্রাস্টি।
দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, সিআরআইয়ের পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ‘রাজনৈতিক এজেন্ডা’ বাস্তবায়নে সহযোগিতার মাধ্যমে ‘রাষ্ট্রীয় অর্থের ক্ষতি করার’ অভিযোগ পাওয়ার পর দুদকের একটি দল ধানমন্ডিতে সিআরআই অফিসে অভিযানে গিয়ে সেটি বন্ধ অবস্থায় পায়। সিআরআই-এর যেসব ব্যাংকে হিসাব চালু ছিল, অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সেসব ব্যাংক (ডাচ বাংলা, আইএফ আইসি, সোনালী ব্যাংক) থেকে তথ্যও সংগ্রহ করেন দুদকের তদন্তকারীরা।
নিয়ে গেছে বিএসএফ
(১-এর পৃঃ ২-এর কঃ পর)
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশপুর-৫৮ ব্যাটালিয়নের (বিজিবি) অধিনায়ক ও পরিচালক লে. কর্নেল রফিকুল আলম। তিনি জানান, সোমবার জীবননগর উপজেলার মেদেনীপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশী তিন যুবক ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। এসময় বিএসএফ ও ভারতীয় পুলিশের অভিযানে সজিব নামের এক বাংলাদেশী যুবক আটক হয়, বাকিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। লে. কর্নেল রফিকুল আলম আরও জানান, এ ঘটনার পর আমরা বিএসএফের সাথে যোগাযোগ করি। তারা আমাদের জানিয়েছে ফেনসিডিল আনার জন্য বাংলাদেশী ৪ জন ব্যক্তি ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। এসময় তাদের সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ ও পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছিল। এতে সজিব নামের বাংলাদেশী এক যুবকসহ ভারতের ৩ জন নাগরিক তাদের হাতে আটক হয়। সজিবকে পুলিশ আটক করে নিয়ে গেছে, এতে বিএসএফের কিছু করার নেই। আর পালিয়ে যাওয়া বাকি তিনজনের বিষয়ে বিএসএফ আমাদের জানিয়েছে, আমরা সে ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করছি।
শতাধিক সুপারিশ
(১-এর পৃঃ ৮-এর কঃ পর)
এরপর কমিশন প্রধানসহ সদস্যরা প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করেন। স্বাক্ষর শেষে বের হওয়ার সময় মুয়ীদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা যে সুপারিশ করেছি সেগুলো সবই বাস্তবায়ন করা সম্ভব। অসম্ভব কিছু হলে তো সেগুলো সুপারিশ করতাম না। সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন সম্ভব হবে কি না সেটা তো এখন সরকার বুঝবে।
গত ৩ অক্টোবর ৮ সদস্যের জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। এ কমিশনের প্রধান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী। পরে কমিশনের সদস্য সংখ্যা আরও তিনজন বাড়ানো হয়। জনমুখী, জবাবদিহিতামূলক, দক্ষ ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন ব্যবস্থা করে তুলতে এ কমিশন গঠন করা হয়।
৯০ দিনের (৩ মাস) মধ্যে প্রস্তুত করা প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করতে বলা হয়। এরপর তিন দফায় সময় বাড়িয়ে কমিশনের মেয়াদ ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় আগেই প্রতিবেদন জমা দিচ্ছে কমিশন।