# মোদিকে বিশেষ অধিবেশনের আহ্বান কংগ্রেস সভাপতির # ভারত থেকে অনলাইনে ছড়ানো হচ্ছে মুসলিম বিদ্বেষী গান
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটক হত্যাকাণ্ডের ঘটনার জেরে চরম চাপে পড়েছে ভারত। ঘটনা পরম্পরায় পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় চারদিক থেকে মোদি সরকারের বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছে প্রতিবেশী দেশগুলো। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকেও মোদি সরকার তেমন সমর্থন পাচ্ছে না।
২২ এপ্রিল, জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামের বাইসারানে, পর্যটকদের ওপর হামলা চালিয়ে ২৬ জনকে হত্যা করা হয়। ঘটনার জন্য ভারত পাকিস্তান পরস্পরকে দায়ী করে আসছে। ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত করা থেকে শুরু করে পাকিস্তানী নাগরিকদের ভিসা বাতিল করে। পাল্টা কূটনীতিক পদক্ষেপ নিয়েছে পাকিস্তানও।
ঘটনার একদিন পর ২৩ এপ্রিল, ভারত একতরফাভাবে সিন্ধু পানি বণ্টন চুক্তি (আইডব্লিউটি) স্থগিত করার ঘোষণা দেয়। বিশ্বব্যাংকের তত্ত্বাবধানে ১৯৬০ সালে স্বাক্ষরিত এই পানি বণ্টন চুক্তি দুই দেশের বহু সংঘাতের মধ্যেও কার্যকর ছিল। ভারতের পদক্ষেপের জবাবে পরদিন পাকিস্তান পাল্টা পদক্ষেপ নেয়। তারা ১৯৭২ সালের শিমলা চুক্তি স্থগিত করার হুঁশিয়ারি দেয় এবং ভারতীয় উড়োজাহাজের জন্য তাদের আকাশসীমা বন্ধ করার ঘোষণা দেয়।
ভারতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পেহেলগামে হামলায় আন্তসীমান্ত সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। অবশ্য এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেনি ভারত। অন্যদিকে, হামলায় যেকোনো ধরনের জড়িত থাকার অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ হামলার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে একটি স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
বিষয়টি এখন ভারত-পাকিস্তান ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গন পর্যন্ত গড়িয়েছে। প্রতিবেশী চীনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে পেহেলগামের হত্যাকান্ড নিয়ে পাকিস্তান যে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক মানের তদন্ত চায় সেই দাবির সাথে সহমত প্রকাশ করেছে। পাকিস্তান শুরু থেকে পেহেলগামের ঘটনার আন্তর্জাতিক তদন্ত চেয়েছে। চীনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী তথা উপপ্রধানমন্ত্রী ইশাক দারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। সেখানেই তিনি পাকিস্তানকে সমর্থনের কথা জানান। চীন জানিয়েছে, পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অবস্থানের পাশে আছে তারা। তুরস্ক থেকেও পাকিস্তানে যুদ্ধের রশদ অস্ত্র পাঠানোর কথা শোনা যাচ্ছে।
গতকাল মঙ্গলবার পাকিস্তানের সেনাবাহিনী কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর দেশটির আকাশসীমা লঙ্ঘনের কারণে ভারতের একটি কোয়াডকপ্টার (ড্রোন) গুলী করে ভূপাতিত করেছে। ভিম্বার জেলার মানাওয়ার সেক্টরে ওই কোয়াডকপ্টার ভূপাতিত করা হয়েছে বলে পাকিস্তানের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা দাবি করেছেন।
পাকিস্তানী কর্মকর্তাদের দাবি, কোয়াডকপ্টারটি সীমান্তের ওপার থেকে নজরদারি চালানোর চেষ্টা করছিল। তখনই পাকিস্তানী সেনারা দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে সেটিকে গুলী করে নামিয়ে আনে। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী মঙ্গলবার নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর দেশটির আকাশসীমা লঙ্ঘনের কারণে ভারতের একটি কোয়াডকপ্টার (ড্রোন) গুলী করে ভূপাতিত করেছে।
ভিম্বার জেলার মানাওয়ার সেক্টরে ওই কোয়াডকপ্টার ভূপাতিত করা হয়েছে বলে পাকিস্তানের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা দাবি করেছেন। পাকিস্তানী কর্মকর্তাদের দাবি, কোয়াডকপ্টারটি সীমান্তের ওপার থেকে নজরদারি চালানোর চেষ্টা করছিল। তখনই পাকিস্তানী সেনারা দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে সেটিকে গুলী করে নামিয়ে আনে। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা দাবি করেন, যথাসময়ে নেওয়া পদক্ষেপের ফলে ভারতের গুপ্তচরচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এটি পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির প্রমাণ। কর্মকর্তারা বলেন, সীমান্তে যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।
কাশ্মীর ইস্যুতে মোদিকে বিশেষ অধিবেশনের আহ্বান কংগ্রেস সভাপতির
কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে বিশেষ সংসদ অধিবেশনের আহ্বান জানিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। গত ২২ এপ্রিল পেহেলগাম হামলার ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই অধিবেশনের আহ্বান জানান তিনি। আজ মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআই। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে মোদিকে কংগ্রেস প্রধানের লেখা চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। কংগ্রেস সভাপতি মোদিকে চিঠিতে লিখেছেন, ‘‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই মুহূর্তে যখন ঐক্য ও সংহতি অত্যন্ত জরুরি, বিরোধীরা বিশ্বাস করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সংসদের উভয় কক্ষের একটি বিশেষ অধিবেশন আহ্বান গুরুত্বপূর্ণ। এটি ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পেহেলগামে নিরীহ নাগরিকদের ওপর নৃশংস হামলা মোকাবিলায় আমাদের সম্মিলিত সংকল্প এবং ইচ্ছাশক্তির একটি শক্তিশালী প্রদর্শন হবে।
চিঠিটি কংগ্রেস সংসদ সদস্য এবং দলের যোগাযোগ শাখার প্রধান জয়রাম রমেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বিষয়টি শেয়ার করেছেন। পেহেলগাম হামলার পরপরই সরকার এর আগে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে একটি সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানে তাদের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সম্পর্কে অবহিত করার জন্য বৈঠকটি ডাকা হয়েছিল। সে সময় কংগ্রেস সভাপতি ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, সরকারের যেকোনো পদক্ষেপের জন্য বিরোধী দলের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘কারগিল থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত এই হামলার জন্য শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এই আক্রমণ কেবল নিরীহ পর্যটকদের ওপর ছিল না, দেশের শত্রুরা ভারতের আত্মাকে আক্রমণ করার দুঃসাহস দেখিয়েছে।
মোদি ঘোষণা করেন, ‘এই হামলা যারা চালিয়েছে এবং যারা পরিকল্পনা করেছে, তারা এমন শাস্তি পাবে যা কেউ কল্পনাও করতে পারবে না। গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীরা গুলী চালিয়ে ২৬ জন পর্যটককে হত্যা করে। হামলার পর জম্মু ও কাশ্মীরের ৪৮টি রিসোর্ট বন্ধ ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।
বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের পর্যালোচনা করা একটি সরকারি নথি অনুসারে, ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের সরকার কাশ্মীরের ৮৭টি পর্যটন কেন্দ্রের মধ্যে ৪৮টি বন্ধ করে দেওয়ার এবং বাকিগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্থানীয়দের আয়ের একটি প্রধান উৎস ছিল কাশ্মীরের এসব পর্যটন কেন্দ্র। পেহেলগাম হামলার পর এসব কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে।
মাত্র এক সপ্তাহ আগেও পেহেলগাম শহরে ছিল অসংখ্য পর্যটকের ভিড়। কিন্তু এখন পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এদিকে, পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধের সিদ্ধান্তের পর স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, পর্যটক কমে যাওয়ার ফলে তাদের আয় এবং জীবিকার ওপর তা বড় প্রভাব পড়বে। কারণ, শহরটি এখনও গত সপ্তাহের ভয়াবহতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারেনি। স্থানীয়রা হামলার নিন্দা জানিয়ে বিক্ষোভও করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে তাদের সংহতি প্রকাশ করেছে।
ভারতে অনলাইনে ছড়ানো হচ্ছে মুসলিমবিদ্বেষী গান
কাশ্মীরে বন্দুকধারীদের হামলার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ভারতে ইউটিউবে নতুন একটি গান প্রকাশ পেয়েছে। ওই গানে ভারতীয় মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষ উগরে দেওয়া হয়েছে। ইউটিউবে নতুন যে গান প্রকাশ পেয়েছে সেটির শিরোনাম, ‘পেহলে ধরম পুছা’ (তারা প্রথমে তাদের ধর্ম জানতে চেয়েছিল)। ওই গানের কথায় মুসলিমরা হিন্দুদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
ইউটিউবে ১ লাখ ৪০ হাজারের বেশিবার ওই গান দেখা হয়েছে। এটিই মুসলিমবিদ্বেষী একমাত্র গান নয়। কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা এমন আরও অন্তত ২০টি গান খুঁজে পেয়েছে। গানগুলোতে ইসলাম নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো ও বিদ্বেষমূলক কথা বলা হয়েছে। এগুলোই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ছড়ানো হচ্ছে বিদ্বেষ ও আতঙ্ক।
গানগুলোতে ধারাবাহিকভাবে ভয়ংকর সব বর্ণনা রয়েছে। পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর হামলার পর অনেকে দাবি করেছেন, বন্দুকধারীরা হিন্দু পর্যটকদের লক্ষ্য করে গুলী চালিয়েছিলেন। ওই সব গানে এ বিষয়টির উল্লেখ করে বলা হয়, ‘ভারতীয় মুসলিমদের আর বিশ্বাস করা যায় না।’ অথচ বন্দুকধারীদের থামাতে গিয়ে একজন মুসলিম ঘোড়াচালক সেদিন প্রাণ হারিয়েছেন। আবার আহত পর্যটকদের উদ্ধারে স্থানীয় মুসলিমরা এগিয়ে এসেছেন। মানুষ ইউটিউবে ১ লাখ ৪০ হাজারের বেশিবার গানটি দেখেছেন। মুসলিমবিদ্বেষী এটিই একমাত্র গান নয়। আল-জাজিরা এমন আরও অন্তত ২০টি গান খুঁজে পেয়েছে।
গত সপ্তাহে উগ্র জাতীয়তাবাদী কিছু গানে পাকিস্তানকে পারমাণবিক হামলার মাধ্যমে ধ্বংস করার ডাক দেওয়া হয়েছে। কিছু গানে ভারত সরকারের প্রতি পাকিস্তানকে ‘মানচিত্র থেকে মুছে ফেলতে’ বলা হয়েছে। আবার ‘পাকিস্তানীদের রক্তের বিনিময়ে পেহেলগামে নিহতদের প্রতিশোধ’ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে কিছু গানে।
উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন গ্রুপ থেকে গানগুলো অনলাইনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তারা গানগুলো বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ও হোয়াটসঅ্যাপের মতো বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপে ছড়িয়ে ভারতীয়দের ভেতর ভয়, ঘৃণা এবং বিভাজন সৃষ্টির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।
এমন প্রচারণায় ভারতের একাধিক রাজ্যে বাস্তবেও মুসলিমদের বাড়িঘরে হামলাসহ সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র ও উত্তরাখন্ডে মুসলিমদের ওপর হামলা হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কাশ্মীরী মুসলিমদের বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, রাস্তায় হকারদের মারধর করা হচ্ছে। প্রতিশোধমূলক আরও নানা কর্মকা-ের শিকার হচ্ছেন তারা। কিছু চিকিৎসাকেন্দ্রে মুসলিম রোগীদের চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন হিন্দু চিকিৎসকেরা।
এরই মধ্যে গত শুক্রবার উত্তর প্রদেশের আগ্রায় একজন মুসলিমকে গুলী করে হত্যা করা হয়। একজন উগ্র হিন্দুত্ববাদী এ হত্যার দায় স্বীকার করে বলেছেন, পেহেলগামে হামলার প্রতিশোধ নিতে এটা করেছেন তিনি। এ ছাড়া এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে নানা ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে এবং হামলার সময়ের গিবলি ইমেজ তৈরি করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। পেহেলগামে হামলার পর থেকে সামাজিক মাধ্যমে হামলা-সংক্রান্ত নানা কনটেন্টের বন্যা বইছে।
অধিকাংশ কনটেন্টের সুর প্রায় একই রকম, যেমন সেগুলোতে পেহেলগামে হামলার বিষয় এমনভাবে তুলে ধরা হচ্ছে, যেন এটা হিন্দুত্ববাদ ও সনাতন ধর্মের ওপর হামলা ছিল। কোথাও কোথাও মুসলমানদের হুমকি বলে উল্লেখ করে হিন্দুদের একজোট হতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।
আল-জাজিরা মুসলিমবিদ্বেষী যেসব গান পরীক্ষা করে দেখেছে, সেসবের একটির শিরোনাম, ‘জাগো হিন্দু জাগো’। এ গানে ‘দেশের ভেতরে বিশ্বাসঘাতকদের’ চিহ্নিত করতে বলা হয়। এখানে মূলত মুসলিমদের ইঙ্গিত করা হয়েছে। গানের ভিডিওটি ইউটিউবে এ পর্যন্ত দেখা হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজারের বেশি। এতে পেহেলগামে হামলা নিয়ে এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্টও ব্যবহার করা হয়েছে।