বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে আগামী ১৮ জুলাই বরিশাল শহর উৎসবের নগরীতে পরিণত হবে। গত চারটি বিভাগীয় সমাবেশে লাখো জনতার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করেছে যে, জনগণ একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় জামায়াতে ইসলামীর প্রতি আস্থা রাখছে। তিনি ১৮ জুলাইয়ের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ সর্বাত্মকভাবে সফল করতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।
গতকাল বৃহস্পতিবার জামায়াতে ইসলামী বরিশাল মহানগরীর উদ্যোগে আগামী ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে মহানগর দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী সংসদে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে, রাজপথেও সেই দায়িত্বশীলতা অব্যাহত থাকবে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত নতুন বাংলাদেশের লক্ষ্য শুধু সরকার পরিবর্তন ছিল না বরং জনগণের প্রকৃত মুক্তি নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার করা। যাতে করে বাংলাদেশে আর কোনোদিন নতুন করে কেউ ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকারের ওয়াদা ভঙ্গের কারনেই আমাদেরকে এখন রাজপথে আন্দোলন করতে হচ্ছে। আশা করি এর মাধ্যমে সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে এবং গনভোটের রায় বাস্তবায়নের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। নতুবা জনগণের দাবি কিভাবে আদায় করতে হয় তা জামায়াতে ইসলামী ভালো করেই জানে। জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
মহানগর জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা জহির উদ্দিন মু. বাবরের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল অঞ্চল টিম সদস্য ও পটুয়াখালী জেলার সাবেক আমির অধ্যাপক শাহ আলম।
আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগরীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মাহমুদ হোসাইন দুলাল, সহকারী সেক্রেটারি মাস্টার মিজানুর রহমান ও তারিকুল ইসলাম, মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা শফিউল্লাহ তালুকদার, কাউনিয়া থানা আমির মোস্তাফিজুর রহমান, পেশাজীবী বিভাগের সভাপতি সুলতানুল আরেফিন এবং ব্যবসায়ী বিভাগের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন হাওলাদারসহ মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।