বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা নিঃস্বার্থ ভাবে রাজপথে নেমে এসেছিল। তাদের মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষার্থী সরকারি চাকরি বিমুখ থাকে। চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের শুরুতে আন্দোলন যখন স্তিমিত হয়ে আসছিলো ঠিক সেই সময়ে আমাদের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা প্রাণভোমরা হয়ে উঠেছিলো।

শুক্রবার ছাত্রশিবির, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পূর্ব শাখার আয়োজনে ৩৬শে জুলাই শহীদ স্মৃতি গার্ডেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

ছাত্রশিবির সভাপতি বলেন, আমরা জুলাই অভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সারাদেশে আয়োজন রেখেছি। যার ধারাবাহিকতায় প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শহীদদের স্মরণে স্মৃতি গার্ডেন করেছি। শিশু শহীদদের নিয়ে আমাদের আয়োজন আছে। সারাদেশে শহীদদের নিয়ে আমরা প্রতিদিন কর্মসূচি ঘোষণা করছি। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অবদানের কথা স্বীকার করে তিনি আরও বলেন, তারা উত্তরার বিএনএস সেন্টার, প্রগতি স্মরণী, রামপুরা ব্রীজ, মিরপুরে দূর্গ গড়ে তুলেছিলো। যার প্রেক্ষিতে আন্দোলন বেগবান হয়ে ওঠেছিলো।

৩৬শে জুলাই শহীদ স্মৃতি গার্ডেন উদ্বোধন করেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির শহীদ আসিফ ইকবালের পিতা আব্দুর রাজ্জাক। দেশের যেকোনো সংকটকালীন মুহূর্তে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা আসিফ ইকবালের মতো এগিয়ে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি ছাত্রশিবির, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পূর্ব শাখাকে এমন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

৩৬ শে জুলাই শহীদ স্মৃতি গার্ডেনে চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে প্রাণ উৎসর্গকারী প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ২৬জন শহীদের নামে বৃক্ষরোপণ করা হয়।

উক্ত আয়োজনে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পূর্ব শাখার সভাপতি রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ।