সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সরকার। মঙ্গলবার সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, সম্প্রতি জাতীয় কমিটির এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কবি দুজনের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন স্থানে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তথ্য বিবরণীতে আরও জানানো হয়, আগামী ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ (৮ মে ২০২৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর মূল আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে কুষ্টিয়া জেলায়।
পাশাপাশি শাহজাদপুর, পতিসর, দক্ষিণডিহি ও পিঠাভোগে স্থানীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় রবীন্দ্র মেলা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। এছাড়া স্মরণিকা ও পোস্টার মুদ্রণের পাশাপাশি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে কবির চিত্রশিল্প প্রদর্শনীর আয়োজনের কথাও জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ (২৫ মে ২০২৬) কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীর জাতীয় পর্যায়ের মূল অনুষ্ঠান হবে ত্রিশালে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দৌলতপুর, তেওতা, কার্পাসডাঙ্গা এবং চট্টগ্রামে স্থানীয় উদ্যোগে নজরুল মেলা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে কবির জীবন ও কর্ম তুলে ধরতে কবি নজরুল ইনস্টিটিউট ও গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর বই ও ছবি প্রদর্শনীর উদ্যোগ নেবে। এছাড়া সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উভয় কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, রচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। জাতীয় পর্যায়ের এসব অনুষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। পাশাপাশি বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসগুলো উদযাপিত হবে। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।